‘খলনায়ক’ বইটির লেখক আহমেদ আল আমীন; এটি একটি সমকালীন উপন্যাস। বইটি প্রকাশ করেছে রুশদা প্রকাশ। এর কলেবর ২৮০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
বাংলাদেশের হাজার বছরের চিরচেনা গল্প; প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম চলে এসেছে। কিন্তু,এভাবে কখনো লেখা হয়নি। অসংখ্য মানুষের বুকে লেখা,হৃদয়ের আর্তনাদ দীর্ঘশ্বাস হয়ে বাজে প্রতিদিন। অলিখিত সেই গল্পের লেখ্য ও কল্পিত চিত্ররূপ এবার বইয়ের পাতায়। দারিদ্র্যপীড়িত জীবন; লাঞ্ছনা,বঞ্চনা ও অপমান। পুষে রাখা ক্ষোভ। বিশ্বাস,ভালোবাসায় বাঁধা ঘর। সন্দেহের তিরে বিদ্ধ প্রেমিক হৃদয়। বাংলা সিনেমার নায়কের মতো প্রতিশোধ। নিজের হাতে ঘর বানিয়ে নিজের হাতেই অগ্নিসংযোগ। দাউ দাউ করে জ্বলছে একটি ঘর,একটি হৃদয়। উপন্যাস পড়তে গিয়ে মনে হবে সিনেমা দেখছি। কখনো মনে হবে,এ তো মঞ্চ নাটক! বইয়ের পাতা উল্টাবেন,গল্প পড়বেন,আর নিজেকে গল্পের সঙ্গে একাকার করে ফেলবেন। নিজেকেই মনে হবে নায়ক,আবার নিজেকেই মনে করবেন ভিলেন। আর নিজের অজান্তেই বলে উঠবেন,আমি নায়ক আমিই মাস্তান। হঁ্যা,হঁ্যা,আমি নায়ক আমিই মাস্তান। আপনি তো মাস্তান হতে চাইবেনই। কারণ,খল চরিত্রের প্রচলিত সংজ্ঞাই পাল্টে দিয়েছে এই গল্প। এই গল্পে আপনি একজন ভিলেনের দুঃখে কাঁদবেন,বেদনায় বেদনাবিধুর হয়ে পড়বেন। অতঃপর নায়কের জন্য দু—ফেঁাটা চোখের জলও ফেলবেন। এই প্রথম সাহিত্যের পাতায় উঠে এসেছে নায়করাজ রাজ্জাকের কথা। আছে ঢালিউড সুপারস্টার ইলিয়াস কাঞ্চন ও মান্নার কথাও। বাদ পড়েনি পদ্মা সেতুও। কেন,এই গল্পে কী স¤পর্ক তাদের সঙ্গে? এই উপন্যাসে তাদের প্রাসঙ্গিকতা কী?
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।