পালের গোদা কানুদা। দুরন্ত ডানপিটে এক কিশোর। কাহিল দেখতে, তার চোখের চেয়ে কান বড়। সবারই হয়, তবে কানুদার কান দুখানা একটু বেশিই লম্বা। না না, তাই বলে তার গাধার কান নয়। কানুদার সাগরেদ পটা আর পটলা। যাকে বলে একেবারে হরিহর আত্মা- একের ভিতরে তিন। এই তিনজন মিলে গোয়েন্দাগিরি থেকে শুরু করে হেন কাজ নেই যা করে না। তাদের অত্যাচারে গ্রামবাসী অতিষ্ঠ। আবার বিপদের সময় ওরাই ভরসা। পুকুরপাড়ে গিয়ে ওরা মাছের গান শোনে, ভূত তাড়ায়, আবার দুষ্টুলোকের মতলব বুঝে এমন শিক্ষা দেয় যে ভুলেও আর কারো ক্ষতির চিন্তা করে না। পটলার আরেক নাম পটল। ছোটোখাটো দেখতে তবে মাথায় প্রচুর বুদ্ধি। কানুদার নেতৃত্বে ওরা হায়ারে ফুটবলও খেলে। পুরো বইজুড়ে কানু-পটা-পটলার অদ্ভুত সব কাণ্ডকীর্তি দেখে ভরপেট না হেসে কারো উপায় নেই।