লেখক মোস্তফা তানিম-এর ‘কাবলার খালের রহস্যময় বৃক্ষ’ পাঠকের সামনে এসেছে সমকালীন উপন্যাস হিসেবে। প্রকাশক পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৪৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st editon, 2025 নিয়ে।
কাবলার জঙ্গল খুব যে ঘন তা নয়। এর ভেতর দিয়ে পায়ে চলা একটা রাস্তা রয়েছে। জঙ্গলে অদ্ভুত একটা গাছ আছে। গাছটার অনেক পাতা। পাতাগুলো গোল, পাথরকুচি গাছের পাতার মতো পুরুষ্ট। বড়ো লম্বা লম্বা ডাল। ইউক্যালিপটাস গাছের ডালের মতো তাদের রং ঘন ধূসর, মধ্যে ছোপ ছোপ সাদা। সেই গাছের কোনাতেই সবুজ খুঁজে পেয়েছে সোনার মোহর। সোনার মোহর আর গুপ্তধনের সন্ধানে কাবলার খালে দুঃসাহসিক অভিযান চালায় উর্মি ও তার বন্ধুরা। সেখানে নাম না জানা এক অচিন বৃক্ষের অদ্ভুত রহস্যময় কাণ্ডকারখানা দেখতে পায় তারা। সেইসঙ্গে ওই নিস্তরঙ্গ কাবলার খালে গনু করাতির মৃত্যুতে মানুষের ধারণা এই গাছের ডালে আঘাত পেয়েই মরেছে সে। ঘটনা এতদূর এগিয়ে যায় যে, শুধু কাবলার খাল নয়, ঢাকা থেকে শুরু করে বিশ্বের বড়ো বড়ো দেশে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। অথচ রহস্যের শুরুটা জানে কেবল সেই কয়জন দুঃসাহসী ছেলেমেয়ে, যাদের কথা তামাম বিশ্বের কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। এই আটজন ছেলেমেয়ে জীবন বাজি রেখে ছুটে যায় রহস্য উদ্ঘাটনে। রূপকথার গাছের মতো গাছটা উড়তে পারে। হঠাৎ করেই অদৃশ্য হয়ে যায়। বাঁকে বাঁকে চমকে ওঠা কাহিনি এক নিশ্বাসে পড়তে পড়তে মাঝেমধ্যেই মনে হবে এ যেন মনগড়া কোনো গল্প নয়, বহুকালের প্রাচীন উদয়নের গল্প।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।