লেখক ইমরুল হাসান-এর ‘কবিসভা’ পাঠকের সামনে এসেছে সাহিত্য সমালোচনা বিষয়ক প্রবন্ধ হিসেবে। প্রকাশনার দায়িত্বে বাছবিচার বুকস। বইটিতে আছে ৩২২ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Edition, 2023।
দুনিয়াতে তখনো ফেসবুক আসে নাই, কমিউনিটি-ব্লগ তো এইভাবে শুরু হয় নাই, ২০০৩/৪ সালের দিকের কথা। ব্রাত্য রাইসু তখন kabishabha নামে একটা ইয়াহু মেইলগ্রুপ খুইলা ওইখানে দুই-তিনশ লোকের ইমেইল অ্যাড্রেস অ্যাড কইরা মেইল চালাচালি শুরু করেন, উনিই ছিলেন ওই গ্রুপের মডারেটর। ওইখানে সাহিত্য নিয়া অনেক তর্ক-বিতর্ক, কাইজ্জা-কাটি, ঝগড়া-ঝাঁটি হইতো। একটা টপিক নিয়া কেউ কোন ইমেইল লেখলো, তখন অন্য অনেকে এর রিপ্লাই দিলো, এইভাবে চলতে থাকতো। রোমান হরফে বাংলা এবং বাংলা হরফে বাংলায় লেখা হইতো ইমেইলগুলা। আমি ওইখানে অনেক হাউকাউ করছি।
তো, এই ক্রাউডের অনেকে পরে সামহোয়্যারইনব্লগে একটিভ হইছিলেন এবং তারপরে ফেসবুকে। ওই ক্রাউডের লগে আমি পারসোনালি যে খুব এসোসিয়েটেড ছিলাম - তা না; কিন্তু আমার পাবলিকলি কথা বলাবলির শুরু বলা যায়, কবিসভা yahoo!-ইমেইলগ্রুপে। তারও আগে ‘কবিসভা’ নামে একটা কবিতা লেখছিলাম, ১৯৯৯ সালের দিকে, যখন ওই মেইল-গ্রুপ চালু হয় নাই। তখন এইসব কথা বলাবলিরে তো এতো ইম্পর্টেন্ট বইলা ভাবতাম না, ভাবতাম যে কবিদের ইগোসিস্ট ব্যাপার-স্যাপার। ওই পজিশন চেইঞ্জ হইছে আমার। চিন্তা করতে করতেই আমি বুঝতে পারছি যে চিন্তা সবসময় চেইঞ্জ হইতে পারার ঘটনাই। এখন ২০২১ সালে যেই চিন্তাগুলো আমি করতেছি, এইগুলাও আল্টিমেট কিছু না। কিন্তু চিন্তার এই ফ্লো বা ধারাটা একটা ঘটনা। ওই জায়গা থিকা বইটার কথা ভাবছি আমি।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।