‘যুগজিজ্ঞাসার ইসলামি সমাধান (দুই খন্ড)’ বইটির লেখক শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী; এটি একটি ইসলামি বিধি-বিধান ও মাসআলা-মাসায়েল বিষয়ক বই। প্রকাশনার দায়িত্বে মাকতাবাতুল খিদমাহ। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৭৫০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই নিয়ে।
বিপদাপদ রহমত, না আজাব? কার জন্য রহমত, কার জন্য আজাব?
সমাধান: মানুষ বিভিন্নভাবে বিপদগ্রস্ত হয়। কখনো অসুস্থতা বা দরিদ্রতার কশাঘাতে জর্জরিত হয়। আবার কখনো অর্থনৈতিক দৈন্যতা বা ঘরোয়া কোনো মুসিবতে নিপতিত হয়। সব ধরনের বিপদাপদকে দুভাগে বিভক্ত করা যায়।
কিছু বিপদাপদ আছে, যেগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে শাস্তি হিসেবে আপতিত হয়। যদিও পাপের মূল সাজা মানুষ পরকালে ভোগ করবে, তবুও কখনো মহান আল্লাহ ইহকালেই মানুষকে শাস্তি দিয়ে থাকেন। যেমন, কুরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে,
وَلَنُذِيقَنَّهُم مِّنَ الْعَذَابِ الْأَدْنَى دُونَ الْعَذَابِ الْأَكْبَرِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ
এবং সেই বড় শাস্তির আগে আমি অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়াতেও লঘু শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাব। যাতে তারা ফিরে আসে।
আবার কিছু বিপদাপদ ও মুসিবতের মাধ্যমে মহান আল্লাহ বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তার সম্মান ও সাওয়াব বৃদ্ধির জন্য আল্লাহ তাকে এসব বিপদে নিপতিত করেন।
কিন্তু এই দুই ধরনের বিপদ-আপদ ও মুসিবতের মধ্যে কীভাবে পার্থক্য নিরুপিত হবে? কীভাবে বুঝা যাবে কোনটি আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত আর কোনটি আজাব? বস্তুত উভয়ধরনের বিপদ-আপদ ও সংকটকে চেনার আলাদা আলাদা চিহ্ন রয়েছে।
যেসব বিপদ-আপদের কারণে মানুষ আল্লাহ বিমুখ হয়, তাকদিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করতে থাকে, হা-হুতাশ করে বলতে থাকে, আমিই কি এ বিপদের জন্য উপযুক্ত ছিলাম, আমার ওপরই-বা কেন এ বিপদ এলো!
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকায় এখনই সংগ্রহ করুন।
এই ক্যাটাগরিতে আরও
শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী-এর আরও বই