ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা ‘যত দূরে যাই’ এক দুর্দান্ত কিশোর প্রেমের উপাখ্যান। কিন্তু প্রেম এখানে অনুচ্চারিত। দিপু কিংবা বৃষ্টি দুজনকে ভালোবাসে ঠিকই, কিন্তু কেউ কাউকে প্রকাশ করে না সেই ভালোবাসার কথা। বৃষ্টির রক্তে বাসা বেঁধেছে এক মরণব্যাধি ‘লিউকেমিয়া।’ মা নেই। বাবার আদরে বড় হয়েছে বৃষ্টি। বৃষ্টিকে নিয়ে বাবা এসেছেন শহরে। দিপুর মা তার দুরসম্পর্কের বোন। দিপুদের বাড়ি থেকে তিন মেয়ের চিকিৎসা করাবেন। দিপু ডাক্তারী পড়ে।এ সময় বাড়ির সবাই জেনে যায় বৃষ্টির ক্যান্সার। শুধু বৃষ্টিই জানে না। এ এক আশ্চর্য মন খারাপ করা উপন্যাস।দিপুকে ছেড়ে যত দূরেই যাক, কিন্তু সে চিরকাল থেকে যাবে দিপুর মনে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম খণ্ডনাটক ‘যত দূরে যাই।’ তিন পর্বে প্রচারিত হওয়ার পর এই নাটক বাংলাদেশের মানুষকে ব্যাপকভাবে আলোড়িত করেছিল। এখনও সেই স্মৃতি রয়ে গেছে অনেক দর্শকের মনে। আজকের পাঠকের জন্য ‘যত দূরে যাই’ এক দুর্দান্ত উপহার।