মাওলানা শামসুল হক রচিত ‘যয়ীফ হাদীস মানা যাবে কি’ — ফিকাহ ও ফতওয়া বিষয়ক বই। প্রকাশক মাকতাবাতুদ দাওয়াহ। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st published, 2025 নিয়ে।
সোমালী যুগ থেকে নিকট অতীত পর্যন্ত সর্বকালে সর্বজনের সিদ্ধান্ত ছিল যয়ীফ হাদীস মানতে হবে ও তদনুযায়ী আমল করতে পারবে। বিপরীত দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন মত থাকলেও সিরাতে মুস্তাকীমের নিরন্তন অভিযাত্রীদের কেউ সেসবের অনুসারী হয়নি।…অনুসরণটা খুব অল্প দিন আগে শুরু হয়েছে। পথচ্যুত হওয়া এবং পথচ্যুত করার এক নোংরা খেলায় মেতেছে চিহ্নিত একটি মহল।…
যয়ীফ হাদীস ও মাওযু’ (জাল) হাদীসকে এক সারিতে গণ্য করা হচ্ছে। উভয়টাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর ‘আরোপিত মিথ্যা’ বলে প্রচার করা হচ্ছে। এভাবে হাদীসের বড় একটা অংশকেই অস্বীকার করা হচ্ছে।…
এই ধূর্তামিপূর্ণ কৌশল খাটিয়ে উম্মতকে আমলের প্রতি অনাগ্রহী করে ফেলা হচ্ছে। চটকদার শব্দ ব্যবহার করে সাধারণ মুসলমানদেরকে হাদীস অস্বীকার করা শেখানো হচ্ছে। সমগ্র মুসলিম জনগোষ্ঠীকে শতাব্দীর ভয়াবহতম পরিণতির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে আমরা তার অসহায় শিকারে পরিণত হচ্ছি।….
এই বইয়ে যা পাবেনঃ
যয়ীফ ও মাওযূ’ হাদীসের পরিচয়।যয়ীফ হাদীস বনাম মাওযূ’ বা জাল হাদীস তুলনামূলক পর্যালোচনা।পূর্বাপর সকল হাদীস শাস্ত্রবিদদের নিকট যয়ীফ হাদীস।আমলের ক্ষেত্রে যয়ীফ হাদীসের কার্যকারিতা।
যারা যয়ীফ হাদীস মানতেন:
ইমাম মালেক রহ. ইমাম শাফেয়ী রহ.
ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ.
ইমাম বুখারী রহ.
ইমাম মুসলিম রহ.
ইয়াহইয়া বিন মাঈন রহ.
ইমাম আবু হাতেম রাযী রহ.
ইবনুল আরাবী রহ.
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।