‘জ্বীন শয়তান এবং ইবনে আরাবির জিজ্ঞেসা’ — কাজী ম্যাক-এর কলমে ইসলামি বিবিধ বই। প্রকাশনার দায়িত্বে বইপিয়ন প্রকাশনী। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ২২৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2025 নিয়ে।
ইসলামি বিশ্বাস ও সুফি দর্শন অনুযায়ী—আপনার জন্মের ঠিক সেই মুহূর্তটিতেই একজন অদৃশ্য যমজ বা ‘ছায়াসঙ্গী’-র জন্ম হয়েছে? এই সঙ্গীর নাম ‘কারিন’ (Qarīn)। সে আপনার সাথে ছায়ার মতো লেগে থাকে, আপনার ধমনীতে রক্তের মতো প্রবাহিত হয় এবং প্রতিনিয়ত আপনার কানে ফিসফিস করে কুমন্ত্রণা দেয়।
এই বইটি নিছক জিন-ভূতের গল্প নয়; এটি মহান সুফি সাধক মুহিউদ্দিন ইবনে আরাবীর দর্শনের আলোকে মানুষের এই ‘বাতেনি শয়তান’ বা কারিন-এর এক গভীর ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।
বইটির মূল আলোচ্য বিষয়গুলো হলো:
বইটিতে দেখানো হয়েছে যে, জিন কেবল মরুভূমির কোনো দানব নয়। ইবনে আরাবী ও ইসলামি প্রথাগত বিশ্বাস অনুযায়ী, ‘কারিন’ হলো মানুষের আত্মিক প্রতিরূপ বা ডপেলগ্যাঞ্জার
লোককথায় বা কুসংস্কারে একে ‘কারিনা’ বা শিশু হত্যাকারী পিশাচিনী হিসেবে ভয় পাওয়া হলেও, সুফিবাদে একে দেখা হয় মানুষের আধ্যাত্মিক পরীক্ষার একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে। প্রতিটি মানুষের সাথে একটি করে শয়তান বা কারিন জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যার কাজ হলো মানুষকে পথভ্রষ্ট করা।
জিনদের রহস্যময় জগত
জিন জাতির প্রকৃতি ও বৈচিত্র্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । জিনরা আগুনের তৈরি হলেও, তাদের সমাজ মানুষের মতোই—তাদেরও রাজা, ধর্ম এবং সমাজব্যবস্থা আছে। বইটিতে জিনের বিভিন্ন ভয়ংকর ও অদ্ভুত উপপ্রজাতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে:
ঘোল (Ghoul): যারা রূপ বদলে ভ্রমণকারীদের ধোঁকা দেয়।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।