রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম আত্মস্মৃতি ‘জীবন স্মৃতি’, যেখানে কবি নিজের ফেলে আসা দিনগুলোকে ফিরে দেখেছেন কাব্যিক এক ভঙ্গিতে। প্রবাসী পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বের হওয়ার পর ১৯১২ সালের জুলাইয়ে এটি বই আকারে প্রকাশিত হয়, সঙ্গে ছিল গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা চব্বিশটি ছবি। কবি নিজেই একে পূর্ণাঙ্গ জীবনী বলতে চাননি, বলেছেন অতীতের স্মৃতির সংকলন।
এই বইয়ে উঠে এসেছে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি, কলকাতা, বোম্বে, লন্ডন আর ঔপনিবেশিক ভারতের ছবি। আছে কবির কৈশোরের দুরন্তপনা, প্রেম-বিরহের অনুভব এবং সাহিত্যসাধনার সূচনার গল্প। পরে তিনি ‘ছেলেবেলা’ ও ‘আত্মপরিচয়’-এর মতো স্মৃতিগদ্যও লিখেছেন, তবে সেই ধারার প্রথম ও একান্ত খতিয়ান এটিই।
একশো ষাট পৃষ্ঠার এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ রবীন্দ্রনাথকে মানুষ হিসেবে চিনতে চাওয়া পাঠকের জন্য অপরিহার্য।