"ঝাঁপি" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: চার-পাঁচ দিন আলাপের পর এক নিবিড় 9 দুপুরে জ্ঞানাঞ্জন যখন একা তখন বন্যা তার দরজায় টোকা দিয়েছিল। বন্যার সেই আসার অর্থ জ্ঞান বুঝতে পেরেছে। কিন্তু আদিমতাকে শেষ পর্যন্ত ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি। আজও সেই আস্বাদ জ্ঞানের শরীরে ছড়িয়ে আছে। অথচ এই দেহগত সম্পর্ক তৈরি হয়ে যাওয়ার পর জ্ঞানাঞ্জনকে নিজের জীবনবৃত্ত থেকে চরম আঘাতে বের করে দিয়েছিল বন্যা। বহু বছর পরে সেই বন্যা জ্ঞানকে ফোন করে বলল, তােমার সঙ্গে আমার দেখা হওয়া দরকার। জ্ঞান গেল। আরও অনেক মেয়ের স্মৃতি মাড়িয়ে, দুই বােন বিদ্যা আর দয়ার ঠাট্টা-ইয়ার্কি টপকে বন্যার সামনে এসে দাঁড়াল জ্ঞান। কিন্তু এ কোন বন্যা? বন্যা আজ যা চাইছে ওর কাছে তা কি দিতে প্রস্তুত জ্ঞানাঞ্জন? দুটি নারী-পুরুষের অদ্ভুত টানাপড়েনের কাহিনী ঝাঁপি। সুমিত ঘােষাল ট্যাক্সি চালায়। তার প্রিয় সঙ্গী বই। তার গাড়িতেই এক বৃষ্টির রাতে খুন হয়ে গেলেন কোটিপতি সীতানাথ। তাঁর দুই রহস্যময় সঙ্গী অদৃশ্য হল। খুনের দায়ে ধরা পড়ল সুমিত। পুলিশের জেরায় জেরায় জেরবার সুমিত শেষ অবধি মুখােমুখি হল শবর দাশগুপ্তের। কে খুন করল সীতানাথকে? লাট্রাম নাকি সুকান্ত? রুমকি কৈশােরকালে প্রেমে পড়েছিল পিতবন্ধ। সীতানাথের। সেই প্রেমের মাশুল তাকে কতকাল দিয়ে যেতে হবে? দীয়ার বয়স মাত্র ষােলাে। তার অবাক চোখের সামনে দারিদ্র্য-জীর্ণ কুৎসিত জগৎ। নানা বর্ণের মানুষ ও নানা চরিত্রের মনুষ্যত্ব নিয়ে এক নিপুণ লক্ষ্যভেদী কথামালা ‘তীরন্দাজ’।