লেখক আশরাফ কায়সার-এর ‘যে দেশে সবাই বিদেশি’ পাঠকের সামনে এসেছে সমকালীন গল্প হিসেবে। অনন্যা-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। বইটিতে আছে ৪০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: ১ম সংস্করণ ২০২৬।
আশরাফ কায়সার গল্পের মানুষ। তিনি গল্প ভালবাসেন, তৈরি করেন নতুন গল্প কিংবা হতে চান গল্পের সেই অমোঘ চরিত্র, যাকে ঘিরে ঘুরবে চারপাশ। আশরাফ কায়সার আড্ডার মানুষ। তাঁর মতে; আড্ডা ছাড়া জীবন বাঁচে না, সৃষ্টি হয় না কিছুই। যে কোন জমায়েতকে আড্ডায় রূপান্তরে জুড়ি নেই তাঁর। সিংহাসনের চারপাশেতো বটেই, বাসের ভেতর ভিড়ঠেলা গুমোট পরিবেশেও রাজনীতি দেখতে পান তিনি। তাঁর মতে, সব সমালোচনা মেনে নিলেও, রাজনীতিই দিন বদলের সবচেয়ে মোক্ষম মাধ্যম।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নামে ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত তাঁর লেখা পবেষণাধর্মী বইটি এদেশের রাজনীতির এক বেদনাময় অধ্যায়কে শব্দচিত্রে ফুটিয়ে তোলে। ১৯৯০ সালের পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতান্ত্রিক ও অন্য শাসনামলগুলোয় এবং চব্বিশের গণআন্দোলনের হত্যাকাণ্ডগুলোকে সংযুক্ত করে বইটির নতুন সংস্করণের কাজ চলছে। তাঁর প্রকাশিত অন্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো। ঢাকার আড্ডা ও অন্যান্য, সেক্টর কমান্ডাররা বলছেন: মুক্তিযুদ্ধের স্মরণীয় ঘটনা ও জেলখানার জীবন ও অন্যান্য প্রতিবেদন।
তারুণ্যের শুরুতেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় আলোড়ন তোলা আশরাফ কায়সার সাংবাদিকতায় ফিলিপস পুরস্কার পেয়েছেন ১৯৯৩ সালে। সাপ্তাহিক বিচিত্রায় প্রকাশিত ট্রেড ইউনিয়নের নামে ব্যাবসা প্রচ্ছদকাহিনিটি শুধু সম্মানই বয়ে আনেনি, বদলে দেয় সড়কে চাঁদাবাজি ও অনিয়মের চালচিত্র। তাঁর লেখা এমন অনেক
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।