ইসলামি আইন, ফতোয়া ও ফিকহ শাস্ত্র বিষয়ক বই হিসেবে ‘ইসলামের ব্যবসায় ও বাণিজ্য আইন-২’ লিখেছেন শহীদুল ইসলাম ও মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমী। বাংলা অনুবাদ মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমী ও শহীদুল ইসলাম-এর। প্রকাশক বাংলাদেশ ইসলামিক ল রিসার্চ এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার। এর কলেবর ৬৪১ পৃষ্ঠা, পেপারব্যাক বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2016।
"মুখবন্ধ": بسم الله الرحمن الرحيم ‘আইনের শাসন’ আজ বিশ্বব্যাপী পরম কাক্ষিত। সুবিচার বর্তমানে মানবজাতির প্রধান কাম্য বিষয়। আইনের শাসন-এর অর্থ আইন থাকবে সবার উধ্বে। আইন চলবে তার নিজস্ব গতিতে। আইনের চোখে ছোট বড় সবাই থাকবে সমান। ক্ষমতা, আভিজাত্য, অর্থ বা অন্য কিছুর প্রভাব আইনের গতি রোধ করবে না। সুবিচার-এর অর্থ হলো, দুর্বলতম ব্যক্তির অধিকার পাইয়ে দেয়ার দায় কাঁধে নেয়া এবং সবলের অন্যায় প্রতিহত করা। জুলুম ও অপরাধ দমন করা, সাধারণ নাগরিকের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন সম্পৃর্ক স্বচ্চ থাকা। সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য কেবল বিচার ব্যবস্থাই যথেষ্ট নয়। শুধু আইন, আইনের শাসন নিশ্চিত করে না। আইন ও বিচার থাকলেও অনেক সময় দেখা যায় সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা, সুনীতি ও সদ্ভাবের বিকাশ সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে আইন ও বিচারব্যবস্থা একটি জরুরি ব্যবস্থাপত্র মাত্র। মূল কাজটি হচ্ছে, সকল নাগরিকের মাঝে আইন মানার মানসিকতা তৈরি করা। ন্যায়পরায়ণতা, দেশপ্রেম, শান্তিপ্রিয়তা, মানবিক চেতনা ও বিবেচনাবোধ ইত্যাদি মানুষকে সৎ থাকতে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে বড় সহায়ক হচ্ছে ধর্মীয় বিশ্বাস। এ বিশ্বাসই মানুষকে খোদাভীতির মাধ্যমে নিজকে নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দিয়ে থাকে এবং আখেরাতে জবাবদিহিতার চিন্তা একজন মানুষের মধ্যে মজবুত দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করে। এ ছাড়াও আরো অনেক প্রেরণাদায়ী বিষয়ও মানুষের বিবেচনার ক্ষেত্রে নৈতিকতার শক্ত ভিত গড়ে দিতে পারে।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।