‘হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ - প্রথম খণ্ড’ বইটির লেখক শাহ্ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহ:); এটি একটি ইসলামি গবেষণা, সমালোচনা ও প্রবন্ধ। অনুবাদক অধ্যাপক মাওলানা আখতার ফারূক রহঃ। বইটি প্রকাশ করেছে রশীদ বুক হাউজ। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে সংস্করণ: 3rd, 2008 নিয়ে।
"হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ" বইটির গ্রন্থের উদ্দেশ্য অংশ থেকে নেয়াঃ
বর্ণনামূলক ও জ্ঞানগত বিদ্যার ওপর সেকালে ও একালে বহু বই লেখা হয়েছে। প্রত্যেক মনীষীই জ্ঞান-গবেষণার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অবদান রেখেছেন। ইসলামের প্রথম যমানায় যুক্তি-বুদ্ধি চর্চার তেমন প্রাধান্য ছিল। সে যুগে বর্ণনামূলক বিদ্যারই সর্বাধিক চর্চা চলছিল এবং এটাকেই। তখন যথেষ্ট মনে করা হত। মুসলিম জাহান তখন রাসূলে করীম (সঃ)-এর কাছাকাছি যমানায় লালিত হচ্ছিল। তাই রাসূল (সঃ) ও সাহাবায়ে কেরামের ফয়েজ ও বরকতের প্রভাবে হাজারাে দর্শনের দার্শনিক মার প্যাঁচ তাদের প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়নি। তবে যতই ইসলামী দুনিয়ার প্রসারতা বেড়ে চলল আর এমনকি ইরান, হিন্দুস্তান ও পাশ্চাত্য জগতের বিভিন্ন এলাকায় যখন তা ছড়িয়ে পড়ল, তখন প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দার্শনিকদের দুষ্ট প্রভাব মুসলমানদের সহজ সরল ঈমান ও আকায়েদের যুত ভিত্তিকে দুর্বল করে দিল।
ফলে আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের দ্বীন ও ঈমানের হেফাজতের জন্যে এমন ব্যক্তিত্বের এ পৃথিবীতে আবির্ভাব ঘটালেন যাঁরা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দার্শনিকদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়ে তাদের স্তব্ধ করে দিলেন। তারা শুধু ইসলামের জন্যেই প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন না, পরন্তু দার্শনিকদের ভ্রান্ত চিন্তাধারার কল্পনার ফানুস ছিন্ন ভিন্ন। করে হাওয়ায় উড়িয়ে দিলেন। ইসলামের ওপর বারংবার হামলা করেছে। কিন্তু তাদের ভাগ্যে লাঞ্ছনাকর পরাজয় ভিন্ন আর কিছুই জোটেনি।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।
এই ক্যাটাগরিতে আরও
শাহ্ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহ:)-এর আরও বই