ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বিষয়ক বই হিসেবে ‘হিটলার’ লিখেছেন সৈয়দ মুজতবা আলী। বইটি প্রকাশ করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বইটিতে আছে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 3rd Edition, 2017।
“হিটলার”বইটির প্রথমের কিছু অংশ: হিটলারের প্রেম ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ১ মে জার্মনির জনসাধারণ পেল তার মােক্ষমতম শ—যেন দেশবাসী আবালবৃদ্ধবনিতার মস্তকে স্বয়ং মুষ্টিযােদ্ধা ক্লে একখানি সরেসতম ঘুষি মেরে তাদের সবাইকে টলটলায়মান পরপড়ায়মান করে দিলেন। ঘুষিটা এল হামবুর্গ বেতারকেন্দ্র থেকে ইতােমধ্যে মিত্রশক্তি আকাশ থেকে জর্মনির বৃহৎ বেতারকেন্দ্রগুলাে,বিশেষ করে শর্টওয়েভের প্রায় সবগুলােকেই খতম করে দিয়েছেন। | বেতারে তখন সংগীতের অনুষ্ঠান হচ্ছিল। সেই অনুষ্ঠান ক্ষণতরে বন্ধ করে বলা হল,আপনারা একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ খবরের জন্য তৈরি থাকুন’ কিছুক্ষণ পরেই বেতারে ঘােষিত হল,আমাদের ফুরার আডলফ হিটলার ইহলােক ত্যাগ করেছেন। | এরপর যে শষ্টা পেল সেটা তাদের খুলি ভেঙে দিল না বটে,কিন্তু মাথার মগজ দিলে ঘুলিয়ে। যেন ওমলেট বানাবার কল ব্রেনবক্সটার মধ্যিখানে তুর্কিনাচন লাগিয়ে দিলে। | হিটলার মৃত্যুর চল্লিশ ঘণ্টা পূর্বে শ্রীমতী এফা ব্রাউন নাম্নী—তাবৎ জর্মনদের কাছে অজানা অচেনা এক কুমারীকে বিয়ে করেছিলেন। সমস্ত জৰ্মনি যেন বুদ্ধিভ্রষ্ট-জনের মতাে একে অন্যকে শুধালাে,সে কী! গত বারােটি বৎসর ধরে যে ফুরারের ছবি আমাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল,সে তাে সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীর ছবি।
ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব-এ আগ্রহী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।