লেখাই জীবনের ধ্রুবতারা, এই বিশ্বাস তাদের দুজনকে একদিন কাছে এনেছে, তারপর সমান্তরাল সাধনায় তারা তুলে এনেছেন ‘রাশি রাশি ভারা ভারা’ সােনালি ফসল, যা এখন সবার উত্তরাধিকার। একজন চলে গিয়েছেন, সঙ্গী যিনি স্মৃতিমেদুর হয়ে এখনাে লিখে যাচ্ছেন নিজেদের কথা আর তাদের আপনজন সাধারণ মানুষের জীবনালেখ্য। সাহিত্যের ভুবনে এমন নিবেদিতপ্রাণ যুগল প্রায় বিরল । আনােয়ারা সৈয়দ হক অনুরাগ পর্বে সৈয়দ শামসুল হককে একান্তে সম্বােধন করতেন ‘হেমিংওয়ে” নামে, যা ছিল হাসপাতালে তার প্রতি অশ্রুসিক্ত শেষ উচ্চারণ। সেই হেমিংয়ের সঙ্গে তার জীবনযাপন এবং উভয়ের সাহিত্যসৃষ্টি নিয়ে এই উপন্যাস। সঙ্গে এসেছে তাদের সমকাল।