‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার'স স্টোন (রঙিন ইলাসট্রেটেড এডিশন)’ জে কে রাওলিং ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ-এর লেখা অনুবাদ উপন্যাস। ভাষান্তরে ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ। জ্ঞানকোষ প্রকাশনী-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৪০০ পৃষ্ঠা নিয়ে।
হ্যারি পটারের জীবনটা কোনো রূপকথার মতো ছিল না। ঘর বলতে ডার্সলিদের বাড়ির সিঁড়ির নিচে ছোট্ট এক কাবার্ড। জন্মদিনে কেক নেই, উপহার নেই, আদর নেই। আছে শুধু ভয়ংকর আন্টি-আংকেল, তাদের অসহ্য ছেলে ডাডলি, আর সারাক্ষণ মনে করিয়ে দেয়া যে হ্যারি যেন এই বাড়ির কেউ নয়। কিন্তু হ্যারি জানে না, তার নাম আট-দশটা ছেলের মতো সাধারণ কোনো নাম নয়।
এগারোতম জন্মদিনের আগে একদিন পেঁচার ঠোঁটে ভর করে আসে রহস্যময় এক চিঠি। তারপর দরজায় এসে দাঁড়ায় দৈত্যাকৃতির এক মানুষ, আর হ্যারির সামনে খুলে যায় এমন এক জগতের দরজা, যার কথা সে কখনো স্বপ্নেও ভাবেনি। হগওয়ার্টস– এক জাদুর স্কুল। আর হ্যারি কোনো সাধারণ ছেলে নয়। ও একজন জাদুকর!
ওখানে আছে কথা-বলা টুপি, অদ্ভুত সব ক্লাস, আকাশে উড়ে উড়ে খেলা, অদৃশ্য হবার চাদর, বন্ধুত্ব, বিপদ, আর প্রতিটি করিডোরে লুকিয়ে থাকা নতুন রহস্য। ধীরে ধীরে হ্যারি জানতে পারে, তার অতীতের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এমন এক অন্ধকার নাম, যাকে জাদু-জগতের সবাই এখনো ভয়ংকর রকমের ভয় পায়।
হগওয়ার্টসে এসে হ্যারি প্রথমবারের মতো খুঁজে পায় বন্ধু, আর নিজের সত্যিকারের পরিচয়। কিন্তু জাদুর এই নতুন জীবনে পা রাখতেই সে টের পায়, বিস্ময়ের আড়ালেও লুকিয়ে আছে বিপদ। আর সেই বিপদের মুখোমুখি হওয়া থেকে হ্যারি পটার খুব বেশিদিন দূরে থাকতে পারবে না।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।