ফিরে এসেছে বসন্ত। রিয়া সেমিস্টার শেষ করে মাউন্ট অলিম্পাসে আবার যাবে বলে মনে মনে প্রস্তুতি নিচ্ছে। গতবারে আয়না ব্যবহার করে বিপদে পড়ার জন্য হার্মিসই ওকে নিয়ে যাবার জন্য এসে পড়েছে। কিন্তু এবারে মাউন্ট অলিম্পাসে ওর থাকাটা সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার জন্ম দিল। পার্সিফোনি ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। এখন অসুস্থ অবস্থায় মা ডিমিটরের ওপরে সমস্ত রাগ ঝাল মেটাচ্ছে। হেডিসের খবর নাই। এ অবস্থায় রিয়াই সিদ্ধান্ত নিল বান্ধবী পার্সিফোনির জন্য নিজের নিরাপত্তা বিপন্ন করে হলেও কিছু করবে। রিয়া কি পারবে পার্সিফোনির বিপর্যয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে? পার্সিফোনি অসুস্থ থাকায় এবারে হার্মিস সাথে ঘনঘন দেখা হয়ে দুজনের সম্পর্কটা ঘনিষ্ঠ হচ্ছিল। রিয়া এতদিন সেটাকে বন্ধুত্ব হিসেবেই ভেবে রেখেছিল। কিন্তু ভালোবাসা ও কামনা দেবী আফ্রোদিতি যখন তার জাদুর বিছা দিয়ে হার্মিসকে নিজের প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে দিল, তখন রিয়া উপলব্ধি করল যে হার্মিসের সাথে ওর সম্পর্ক শুধু আর বন্ধুত্বের মাঝে সীমাবদ্ধ নাই। কিন্তু খুব দেরি হয়ে গেছে। হার্মিস এখন পুরোপুরি আফ্রোদিতির মোহজালে আবদ্ধ। কী হবে রিয়া ও হার্মিসের সম্পর্কের পরিণতি? বেড়াতে এসে এবারে যুদ্ধদেবী এথিনার সাথে বেশ আলাপ হয়ে গেছিল রিয়ার। এথিনার আমন্ত্রণেই রিয়া প্রাচীন গ্রিসে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে প্রাণ হারাতে বসেছে। রিয়া কি বেঁচে ফিরতে পারবে? হার্মিস কি ওকে বাঁচাতে পারবে? জমজমাট কাহিনি নিয়ে এবারে রিয়া সিরিজের তৃতীয় বই-‘হার্মিস ও রিয়া’।