‘হ্যামলেট’ উইলিয়াম শেক্সপীয়ার-এর লেখা নাটক। অনুবাদ করেছেন দেবাশীষ চক্রবর্তী। জয় প্রকাশন থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৬৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2016 নিয়ে।
"হ্যামলেট" বইটির 'প্রাক কথন' অংশ থেকে নেয়াঃ
ইংল্যান্ডে রানি এলিজাবেথের রাজত্বকালে ১৫৭৫ খ্রিষ্টাব্দের পরে পেশাধারী রঙ্গমঞ্চ গড়ে উঠলে এ যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য হিসেবে নাটকই প্রধান হয়ে ওঠে। গ্রিস ও রােমের সঙ্গে পরিচয়ের ফলে ইংরেজি নাটক এ সময় নতুন রূপ পরিগ্রহ করে। ইতালির প্রাচীন নাটকগুলাের রূপসৌন্দর্য ও অ্যারিস্টটলের নাট্যতত্ত্ব ইংরেজ নাট্যকারদের একদিকে যেমন সমাজশাসিত মানবজীবনের নিগূঢ় রহস্যমণ্ডিত ভাবনা ও জিজ্ঞাসার জগতকে পরিতৃপ্ত করেছে, তেমনই অন্যদিকে তাঁদের নাটক রচনার বিজ্ঞানবুদ্ধিকে জাগ্রত করেছে। এ সময় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ প্রাচীন গ্রিস ও রােমের সাহিত্য-দর্শন ও রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞানতত্ত্বকে রূপদান করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিলেন। যাদেরকে অভিহিত করা হতাে University Wits বা ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বােদ্ধাজন' বলে। সাহিত্যতত্ত্ব ও নাট্যতত্ত্বালােচনায় এঁরা ছিলেন সে সময়কার বিদগ্ধজন। গ্রিক সাহিত্যের নিয়মনীতি অনুসরণ করে চলাই ছিল এঁদের প্রধান উদ্দেশ্য। সে কারণে ইংল্যান্ডে এ যুগে ট্রাজেডি ও কমেডি নাটকের আবির্ভাব ঘটে- যা কিছুকাল আগেও অচিন্তনীয় ছিল। এ সময়ের প্রধান নাট্যকারদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য হলেন ক্রিস্টোফার মার্লো (১৫৬৪-১৫৯৩), জন লিলি (১৫৫০-১৬০৬), জর্জ পিল (১৫৫৮১৫৯৮), টমাস কিড (১৫৫৮-১৫৯৮), রবার্ট গ্রিন (১৫৫৮-১৫৯২), টমাস লজ (১৫৫৮-১৬২৫), টমাস ন্যাশ (১৫৬৭-১৬০১) প্রমুখ।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।