মো: আদনান আরিফ সালিম রচিত ‘হালাকু খান’ — ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বিষয়ক বই। প্রকাশনার দায়িত্বে দিব্যপ্রকাশ। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ২২৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2018 নিয়ে।
"হালাকু খান" বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ-এর লেখাঃ
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চিন্তা করতে গেলে দেখা যায় মােঙ্গলদের ইতিহাস অনেকটাই জিঘাংসা আর রক্তপাতের হিংস্রতায় ধিকৃত। তাদের নেতা চেঙ্গিস, মজু, কুবলাই কিংবা হালাকু খানের তেমন কোনাে পার্থক্য নেই। সময়ের আবর্তে তারা জীবন ব্যয় করেছেন এক রণাঙ্গন থেকে অন্য রণাঙ্গনে। এক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের বীভৎসতা কিংবা দখলবাজির দিক থেকে চিন্তা করতে গেলে সবথেকে এগিয়ে রাখতে হয় হালাকু খানকে। বাবা তুলুই তথা তলুইয়ের পঞ্চম সন্তান হালাকু শৈশব থেকেই অন্য ভাইদের চেয়ে এগিয়ে থেকে জানান দিয়েছেন নিজ সক্ষমতা। অন্যদিকে তার মা সুইরকুকতেনিও ছিলেন কেরাইত নেতা ওয়াং খানের ভাই জাকেম্বাের মেয়ে। ফলে পারিবারিক দিক থেকে যােদ্ধাবৃত্তি তার ধমনীতে প্রবাহিত ছিল।
প্রশাসক কিংবা সেনাদলের নেতা হিসেবে হালাকু খানের বড় সাফল্য মনে করা হয় বাগদাদ দখলকে। তবে এর ভিত্তি রচিত হয়েছিল আরও কয়েকটি সফল আক্রমণের মধ্য দিয়ে। তাদের প্রথম সফল অভিযান বলা যেতে পারে নিজারি ইসমাঈলিয়া সম্প্রদায়ের দুর্গ আলামুত দখলের ঘটনাকে। এরপর তারা বাগদাদ আর সিরিয়া দখল করে সেখানে চালায় এক নারকীয় হত্যাকাণ্ড। তার নির্দেশে আব্বাসীয় খলিফাকে কার্পেটে মুড়ে ঘােড়ার পায়ে পিষে হত্যা করেছিল মােঙ্গলরা। তার বাহিনী ধ্বংস করেছিল বাগদাদের বিখ্যাত লাইব্রেরি বাইতুল হিকমাহ। এরপর আইন জালুতের ময়দানে মামলুক নেতা বাইবার্সের মুখােমুখি হয়ে চরম মূল্য দেয় মােঙ্গলরা।
বিশেষ করে ইতিহাস, সমাজ ও রাজনীতিতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।