“গৃহত্যাগী জোছনা” বইটির প্রথম দিকের কিছু কথাঃ প্রতি পূর্ণিমার মধ্যরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই গৃহত্যাগী হবার মত জোছনা কি উঠেছে ? বালিকা ভুলানাে জোছনা নয়। যে জোছনায় বালিকারা ছাদের রেলিং ধরে ছুটাছুটি করতে করতে বলবে – ও মাগাে, কি সুন্দর চাঁদ ! নবদম্পতির জোছনাও নয়। যে জোছনা দেখে স্বামী গাঢ় স্বরে স্ত্রীকে বলবেন – দেখাে দেখাে নীতু চাঁদটা তােমার মুখের মতই সুন্দর কাজলা দিদির সঁাতাতে জোছনা নয়। যে জোছনা বাসি স্মৃতিপূর্ণ ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে কবির জোছনা নয়। যে জোছনা দেখে কবি বলবেন – কি আশ্চর্য রূপার থালার মত চাদ। আমি সিদ্ধার্থের মত গৃহত্যাগী জোছনার জন্যে বসে আছি। যে জোছনা দেখামাত্র গৃহের সমস্ত দরজা খুলে যাবে – ঘরের ভেতর ঢুকে পড়বে বিস্তৃত প্রান্তর। প্রান্তরে হাঁটব, হাঁটব আর হাঁটব – পূর্ণিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে। চারদিক থেকে বিবিধ কণ্ঠ ডাকবে – আয় আয় আয় ।