লেখক এস. ওয়াজেদ আলি-এর ‘গ্রানাডার শেষ বীরের গল্প শোনো’ পাঠকের সামনে এসেছে ইসলামী ব্যক্তিত্ব বিষয়ক বই হিসেবে। ফাহিম বুক ডিপো থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৬৩ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 5th Edition, 2019 নিয়ে।
গ্রানাডার শেষ বীর ‘মুসা বিন আবী গাসসান’ ১৪৯১ খ্রিস্টাব্দ। তৃতীয়বারের মতো গ্রানাডা অবরোধ করেছেন ক্যাস্টোলার শাসক পঞ্চম ফার্ডিন্যান্ড। শেষবারের মত অস্তিত্বরক্ষার লড়াইয়ে নামলো গ্রানাডাবাসী। তরুণরা সিদ্ধান্ত নিলো শরীরের শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত তারা খ্রিস্টানবাহিনীর মোকাবিলা করবে। এই সময়ে তরুণদের নেতৃত্বে ছিলেন মুসা বিন আবী গাসসান। তিনি দীপ্তকন্ঠে ঘোষণা দেন,খ্রিস্টান সম্রাট জেনে রাখুক,আরবদের জন্মই হয়েছে বর্ষা নিক্ষেপ ও ঘোড়ায় আরোহণের জন্য। শত্রুদের বিলাসবহুল প্রাসাদে অবস্থান করার চেয়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করে গ্রানাডার কোনো ভগ্নদেয়ালের নিচে নিজের কবর নির্ধারণ করা আমার কাছে অধিক প্রিয়। শুরু হলো যুবকদের প্রতিরোধ। আল হামরা প্রাসাদে বসে ইতিপূর্বে করা নিজের ভুলের মাশুল দিচ্ছিলেন দূর্বল শাসক সুলতান আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল আহমার আস সগির। টানা সাত মাস যুবকদের সঙ্গে খ্রিস্টানবাহিনীর লড়াই চলতে থাকে। ফার্ডিন্যান্ডের বাহিনী গ্রানাডার বাইরে থাকা গ্রামগুলোর উপর হামলা করে সবকটি গ্রাম দখল করে নেয়। শুধু ফাখখার গ্রামটি তখনো তারা দখল করতে পারেনি। এই গ্রামের দখলকে কেন্দ্র করে মুসলিমবাহিনীর সাথে তাদের বেশ কয়েকটি লড়াই হয়। খ্রিস্টানদের অনেক সেনা নিহত হয়। তবু তারা গ্রামটির দখল নিতে পারছিল না। মুসলমানরা প্রায়ই খ্রিস্টান শিবিরে গেরিলা হামলা চালাতো। অবরোধ ও প্রতিরোধ দীর্ঘ হয়ে উঠে।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।