"গহিন হৃদয়" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: বিদেশে বিয়ে ভেঙে যায় অনুপমের। মেয়ে লীনার অধিকার পায় তার মা। দেশে ফিরে আসে অনুপম। অধ্যাপনা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনুপমের বন্ধু ভাস্করের স্ত্রী সােহিনীর সঙ্গে ক্রমে গড়ে ওঠে তার বিশেষ অন্তরঙ্গতা। একসময় তারা সিদ্ধান্ত নেয় একত্রে বাকি জীবন কাটাবার। দাম্পত্য জীবনে তিতিবিরক্ত সােহিনী ভাস্করকে জানিয়ে দিতে চায়, সে পাপানকে নিয়ে চলে যাবে এবার। ঠিক এই সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে ভাস্কর। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, ভাস্কর ক্যানসারে আক্রান্ত। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সােহিনীর। অনুপম তাকে আশ্বস্ত করে। মরণাপন্ন ভাস্করের ব্যয়বহুল চিকিৎসা-পর্বে দায়িত্বশীল স্ত্রীর ভূমিকায় জড়িয়ে পড়ে সােহিনী। কী হবে সােহিনী-অনুপমের সম্পর্ক? ভাস্করের মৃত্যু কি কোনও মুক্তি আনবে। ক্লান্ত-বিধ্বস্ত সােহিনীর জীবনে? সুচিত্রা ভট্টাচার্যের ‘গহিন হৃদয়’ উপন্যাসে মৃত্যুর গহিন গন্ধ ছায়া ফেলে আছে সম্পর্ক-জটিল হৃদয়ের ওপর।