যে কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি রূপ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ১৯১৩ সালে এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী করে তুলেছিল, সেই ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলা কবিতার এক অমূল্য সম্পদ। ১৯১০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে কবি সৃষ্টিকর্তার কাছে নিবেদন করেছেন সুরেলা, বেদনামধুর ও গভীর আত্মনিবেদনের কথা। অন্নদাশঙ্কর রায় একে বলেছিলেন ভগবৎ ভক্তির কাব্য।
প্রেম, প্রকৃতি, স্বদেশ আর ঈশ্বর, এই কয়েকটি সুতোয় গাঁথা কবিতাগুলো পূর্ব আর পশ্চিমের মাঝের দূরত্বও কমিয়ে এনেছিল। আনন্দে, উৎসবে কিংবা গভীর দুঃখের দিনে আজও বাঙালি রবীন্দ্রনাথের এই পঙ্ক্তিগুলোর কাছে আশ্রয় খোঁজে।
১৯২ পৃষ্ঠার এই সংস্করণ রবীন্দ্র-অনুরাগী, কবিতাপ্রেমী কিংবা প্রথমবার চিরায়ত বাংলা কাব্য পড়তে চাওয়া যে কারও জন্য উপযুক্ত।