আলম শাইন রচিত ‘ঘুণে খাওয়া বাঁশি’ — সমকালীন উপন্যাস। বইটি প্রকাশ করেছে জ্ঞানকোষ প্রকাশনী। বইটিতে আছে ১২৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2018।
বালকের জন্ম ডাকাতিয়ার বাঁকে সবুজে আচ্ছাদিত নির্জন এক গাঁয়ে। যে গাঁয়ে যুগের পর যুগ সামরিক কায়দায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে অজস্র নারিকেল-সুপারি গাছ। দাঁড়িয়ে আছে বট-পাকুড়, হিজল-তমাল, হরীতকী-বহেরা, শাল-পিয়ালসহ নানা প্রজাতির গাছ-গাছালি। আছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। যেখানে চাষাবাদ হয় ধান-কাউন- গমসহ নানান ফসল। দৃষ্টিনন্দন হরেক প্রজাতির লতাগুল্ম কিংবা ঝোপজঙ্গলের কমতি নেই।
কমতি নেই শাপলা-চাঁদমালা-টোপাপানার। মলা-ঢেলা, শোল-বোয়ালের দাপাদাপি নজরে পড়ে জলাশয়ের পাশ ঘেঁষে হাঁটলেই। বনপ্রান্তরের কাছাকাছি গেলেই শোনা যায় শ্যামা-পাপিয়া-কোকিলের কুহুতান। রাত-বিরাতে শোনা যায় শেয়াল- কুকুরের হাঁকডাক। সেই মনোহারী সৌম্যসাজে সজ্জিত, চোখ জুড়ানো, মন ভোলানো, নৈসর্গিক গাঁয়ে এক মাঘের কনকনে ঠাণ্ডা রাতের প্রথমার্ধে বালকের জন্ম।
প্রস্ফুটিত বনপুষ্পরূপ ধারণ করে ভূমিষ্ঠ হয়েছে বলেই মাতামহ বালকের রূপে মোহিত হয়ে ভেবেচিন্তে নাম রেখেছেন 'বনফুল'। কিন্তু বাড়ির লোকজনের সমর্থন না পাওয়ায় বনফুল নাম বিসর্জন দিয়ে মাতামহ 'শাওন' নামে ডাকতে শুরু করেন। সেই থেকেই বালক শাওন নামে পরিচিতি পায়।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।