সাজ্জাদ হুসাইন বরাবরই ছন্দ অর অন্ত্যমিল দিয়ে নতুন নতুন সুর বাঁধেন। সেই সুরে কখনাে বাঁধা পড়ে গতিময় ছড়া। আর কখনাে বা গীতিময় গীতিকবিতা। এবার তিনি কথা দিয়েই কথার মালা গেঁথেছেন। গড়েছেন কথা সাহিত্য। তবে এখানেও তার লেখনীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলাে ছাপিয়ে আছে সবকিছুর উর্ধ্বে। শব্দ সমন্বয় অথবা বাক্য নির্মাণের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে এক সূক্ষ্ম ছন্দবদ্ধতা। যার ভেতরে বাহিরে প্রবাহিত হয়ে চলেছে কাব্য আর কবির সমবেত প্রেম বােধ। আবেগ। অনুভূতি। আনন্দ। বেদনা। সবকিছু। এটা লেখকের গল্প বলার নতুন স্থান। নতুন পটভূমি। এখানে তিনি নিজের অবয়বকে দেখেছেন নতুন রূপে। ভিন্ন চোখের আয়নায়। যে আয়নায় তিনি নিজেই কোনাে না কোনাে চরিত্র হয়ে উঠেছেন। অন্যের চরিত্রের বিস্তার ঘটিয়েছেন স্বতন্ত্র এক প্রতিচ্ছায়ায়। তাই চরিত্রের গঠন, নির্মাণ আর গল্পের আপন গীতিময়তায় ‘ঘৃণা’ যেন ভালােবাসারই অন্য নাম। মৌন সমার্থক কোনাে অনুভবস্থল।