হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহঃ) রচিত ‘ফুরুউল ঈমান (ঈমানের শাখা-প্রশাখা)’ — ঈমান ও আকীদা বিষয়ক বই। মাকতাবাতুল আশরাফ থেকে প্রকাশিত। বইটিতে আছে ১২৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2014।
হাকীমুল উম্মাত মুজাদ্দিদুল মিল্লাত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.-এর আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব সর্বজনস্বীকৃত ও সর্বজনবিদিত। হযরত থানভী রহ.-এর অসাধারণ প্রজ্ঞা, ইলমী রূহানী খেদমত ও মুসলিম উম্মাহর জন্য তাঁর সংস্কারমূলক বিরাট অবদানের কারণে তাঁকে হাকীমুল উম্মত [উম্মতের (আধ্যাত্মিক রোগের) চিকিৎসক] ও মুজাদ্দিদুল মিল্লাত (মুসলিম জাতির সংস্কারক) খেতাবে ভূষিত করা হয়েছে।
হযরত থানভী রহ. প্রায় এক সহস্র কিতাব রচনা করেছেন। তাঁর রচনা-ভাণ্ডারের অন্যতম কিতাব “ফুরুউল ঈমান : ঈমানের শাখা-প্রশাখা”। এ কিতাব সম্পর্কে হযরত রহ.
“দীর্ঘদিন ধরে আমার ইচ্ছা ছিল, ঈমানের এ শাখাসমূহকে আমার স্বদেশি মুসলমান ভাইদের অবগতির জন্যে সহজবোধ্য উর্দুতে লিখে দেই। যাতে করে তারা জানতে পারেন, যে ঈমানের দাবি আমরা করি, তার এতগুলো শাখা রয়েছে। এবং চিন্তা করে দেখে যে, আমাদের মধ্যে এসব শাখার কতগুলো বিদ্যমান রয়েছে এবং কতগুলো নেই। তাহলে এর দ্বারা নিজের ঈমানের পূর্ণতা ও অপূর্ণতার পরিমাপ করতে পারবে। যে সমস্ত গুণের অভাব নিজেদের মধ্যে পাবে সেগুলো অর্জনের এবং পূর্ণতাসাধনের চেষ্টা করবে এবং সেগুলো পূর্ণ না করে পরিপূর্ণ ঈমানের দাবি করতে লজ্জাবোধ করবে। যদিও দ্বীনের মূল বিষয়গুলো স্বীকার করলে নিম্নস্তরের ঈমানের অধিকারী হওয়া যায়। কিন্তু সে ঈমান তেমনই, যেমন ল্যাংড়া, লুলা, অন্ধ, কানা, পঙ্গু মানুষকে মানুষ বলা হয়।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।