লেখক মৃত্যুঞ্জয় রায়-এর ‘ফুল ও বাহারি গাছের রোগ পোকামাকড়’ পাঠকের সামনে এসেছে কৃষি বিষয়ক বই হিসেবে। প্রকাশনার দায়িত্বে প্রান্ত প্রকাশন। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Edition, 2023 নিয়ে।
যখন ফুলবাগানীদের বা ফুলবাগানের মালিদের কাছে যাই,প্রায়শঃই তাঁরা প্রশ্ন করেন,বাগান তো ভালো হয়েছিল,কিন্তু গাছের তো বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছে পোকারা। জবা আর পয়েনসেটিয়া গাছটার ডগা-কুঁড়ির বোঁটায় কী যেন সাদা দলা দলা মতো লেগে আছে,দিন দিন বাড়ছে। গোলাপের পাতাগুলো কালো কালো দাগে ভরে গেছে,আরু কুঁড়িগুলো এক ধরনের লেদা পেকায় ফুটো করে দিচ্ছে। এরকম গাছে গোলাপ ফুল ফুটবে কী করে? যখন তাঁদের কোনো প্রশিক্ষণ ক্লাসে যাই,সেখানেও তাঁদের প্রায় একই রকম প্রশ্ন থাকে- চন্দ্রমল্লিকার ফুল ফুটবে কী করে? ওর ডগাগুলো তো কুঁকড়ে ছোট হয়ে বসে আছে,ডগায় খুব ছোট ছোট কালচে সবুজ রঙের অনেক পোকা। অনেক ভেবে শেষে সিদ্ধান্ত নিলাম,এ দেশে এখন বাণিজ্যিকভাবে যেসব ফুল চাষ করা হচ্ছে,সেসব ফুলগুলোর রোগ ও পোকামাকড় সম্বন্ধে আগে লেখা দরকার। কেননা,এর সাথে ফুলচাষিদের লাভ-লোকসান জড়িয়ে আছে। এজন্য এ বইয়ে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে গোলাপ,রজনীগন্ধা,গ্ল্যাডিওলাস,ডালিয়া,গাঁদা,চন্দ্রমল্লিকা ফুলগুলোর রোগ ও পোকামাকড়। সম্প্রতি জারবেরা ও লিলিয়াম ফুলের চাষও হচ্ছে। সেজন্য এ ফুল দুটির রোগ-পোকামাকড় সম্পর্কেও এ বইয়ে লেখা হয়েছে। এ ছাড়া যারা ছোট্ট ঘরোয়া ফুলবাগানে,টবে,ছাদবাগানে এসব বাণিজ্যিক ফুল ছাড়া অন্য যেসব ফুল ও বাহারি গাছ লাগান- সেসব গাছেরও দু চারটি গুরুত্বপূর্ণ রোগ ও পোকামাকড় সম্পর্কে লেখা হয়েছে।
জানার আগ্রহ আছে এমন পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।