‘ফিতনার বজ্রধ্বনী’ বইটির লেখক আলী হাসান উসামা; এটি একটি কিয়ামতের আলামত, ফিতনা বিষয়ক বই। প্রকাশনার দায়িত্বে কালান্তর প্রকাশনী। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৭৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৯ নিয়ে।
আপনি একদিকে কামরায় এসি চালু করলেন, অন্যদিকে কামরার দরজা-জানালা খুলে দিলেন, এমতাবস্থায় এসি কি কাজ দেবে? তদ্রুপ আপনি একদিকে কুরআনে কারিম তিলাওয়াত, তাহকিক ও তাফসির অধ্যয়ন করলেন, আরেকদিকে কুরআনে চিহ্নিত ইসলামের শত্রুর সাথে মিত্রতা গড়লেন; এতে কি আপনি ‘ইউদিলু বিহি কাসিরান’-এর আওতায় পড়ে যাবেন না? এই কুরআন যে ‘লিল্লাতি হিয়া আকওয়াম’-এর জন্য হিদায়াতের স্বর্গীয় ফল্গুধারা বয়ে আনে—তা তো আপনার অজানা নয়।
পবিত্র কালামুল্লাহ শরিফ চার শত্রুকে ইসলাম ও মুসলমানদের প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছে : ইহুদি, খ্রিষ্টান, মুশরিক ও মুনাফিক। সেকাল-একাল, পূর্ব-পশ্চিম—এরাই আমাদের জাতশত্রু। আমাদের প্রথম কিবলা কেড়ে নেওয়া, সেখানে আমাদের প্রবেশাধিকার রুদ্ধ করা কি ইহুদিদের কাজ নয়? নানা ফ্রন্টে, ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মাবরণে, দেশে-দেশে কি খ্রিষ্টানরা আমাদের বিরুদ্ধে জোরদার করেনি অসম যুদ্ধ? হিন্দুর অবয়বে আসাম-গুজরাট-কাশ্মিরে, বৌদ্ধের চেহারায় উইঘুর-আরাকানে কি মুশরিকরা আমাদের সঙ্গে কিঞ্চিত মানবিক আচরণও দেখিয়েছে?
এ তো গেল বাইরের শত্রু। ঘরের শত্রুরা কেমন ত্রাহিদশা ঘটাচ্ছে—তার খবর কি রাখছেন আপনি? মুনাফিক-জিন্দিকের পরিচয় জানা না থাকলে তো আপনারও এই অভিধায় ধন্য (!) হবার সমূহ আশঙ্কা! শিয়া-নুসাইরির খবর রাখলেন, চিনলেন না নব্য খারেজি আর মুরজিয়াদের। তো আপনি প্রাণসংহারক অজ্ঞতায় ভুগলেন।
বিশেষ করে ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।