শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক বই হিসেবে ‘ফিল্ট্রেশন শিক্ষাপদ্ধতি ও আমাদের শিক্ষানীতি’ লিখেছেন শেখ আতাউর রহমান। প্রকাশনার দায়িত্বে প্রান্ত প্রকাশন।
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
জীবন ও পরিবেশের সাখে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকার কলাকৌশল আয়ত্ত করাই শিক্ষা। তাই যে শিক্ষা মানুষের বেকারত্ব সৃষ্টি করে , প্রকৃত অর্থে তাকে শিক্ষা বলা যায় না। কথায় আছে অন্ন না থাকলে আনন্দও থাকে না। কেননা আনন্দের সহিত সম্পাদিত কাজে সাফল্য অনিবার্য। বাঙালির অন্ন কষ্ট তথা অভাব-অনটন হাজার বছরের এমনকি নিত্য দিনের। এর কারণ প্রকৃত শিক্ষার অভাব। আজও আমাদের দেশে পুথিগত বিদ্যা কন্ঠস্থ করে শিক্ষার্থীরা কেবল সার্টিুফিকেট অর্জন করে , জ্ঞানার্জন করে না্। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এ জন্যই দায়।অপ্রিয় হলেও সত্য যে , সুলতানি -মুঘল আমলের সাম্প্রদায়িক পরকালমুখী শিক্ষা তথা বিট্রিশ ঔপনিশিক আমলের ফিল্ট্রেশন শিক্ষা পদ্ধতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা আজও আজও আমাদের দেশে স্বমহীমায় চালু ও বলবৎ রয়েছে। এ শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষানীতি শিক্ষার্থীকে কর্মের উপযোগি করে গড়ে তোলে না,বেকার বানায়।অধিকন্তু , পরনির্ভরশীল নকলনাবিশে পরিনত করে। ব্রিটেন , ফ্রান্স, জার্মানি প্রভৃতি উন্নত দেশের শিক্ষকেরা ক্লাসে না পড়িয়ে কোচিং সেন্টারে বা প্রাইভেট নিকেতনে সকল সমস্যার সমাধান দিয়ে প্যাকেজ নোট তৈরি করে দেন যা মুখস্থ করে পরিক্ষার্থী এ পর্যন্ত পেয়ে সকলের প্রশংসা কুড়ায়। কিন্তু প্রকৃত জ্ঞান লাভ হয় না। এ প্রসঙ্গে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেন, - “ যে মুখন্ত করে এবং যে নকল করেতারা দুজনেই এক গোত্রের ।
শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।