‘ফাতাওয়ায়ে আলবানী’ — আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (রহ.)-এর কলমে ফিকাহ ও ফতওয়া বিষয়ক বই। প্রকাশক বিলিভার্স ভিশন পাবলিকেশন্স। বইটিতে আছে ৩৮৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2022।
জিজ্ঞেসা ও ফাতাওয়া প্রদান পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মাধ্যমে শুরু হয়। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুরু করে আজ অবধি পনেরো-শো বছর ধরে প্রতিটি যুগের ইমাম ও আলিমগণ এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মুসলিমরা যখনই দ্বীনী বা দুনিয়াবী কোনো সমস্যা ও ঘটনার সম্মখীন হয়, তখনই সেই সমস্যা ও ঘটনার সমাধানের জন্য তারা আলিমদের দ্বারস্থ হয়।
ইমাম ইবন হাযম রাহিমাহুল্লাহ ১৪২ পুরুষ সাহাবী ও ২০ জন মহিলা সাহাবীর কথা উল্লেখ করেছেন, যারা ফাতাওয়া প্রদান করতেন। সাহাবীদের পর অসংখ্য তাবিয়ী ফাতাওয়া প্রদান করেন। তবে তাদের মাঝে সাত জন ফাতাওয়া প্রদানের সর্বাধিক প্রসিদ্ধিতা লাভ করেন।
তাদের পরবরর্তীতে ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালিক, ইমাম শাফিয়ী, ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বাল, ইমাম বুখারী, ইমাম ইবন আবী হাতিম, ইমাম নববী, শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়্যাহ, ইমাম ইবন হাজার আসকালানী, ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী, ইমাম শাওকানী, ইমাম শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী, ইমাম মিয়া নাযীর হুসাইন দেহলভী, ইমাম শাহ ইসমাঈল রাহিমাহুমুল্লাহ-এর মতো মহৎপ্রাণগণের আগমন ঘটে।
এরই ধারাবাহিকতায় বিংশ ও একবিংশ শতকের একজন মহৎপ্রাণের নাম হচ্ছে ইমাম মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী রাহিমাহুল্লাহ। তাকে নতুন করে পরিচয় করানোর কিছুই নেই। বরং ‘আলবানী’ একটি তারকা। যে তারকা সবার কাছে পরিচিত।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।