একটি নিস্তব্ধ সকাল। শহর তখনো স্বাভাবিক ছিল—যতক্ষণ-না একে একে নিখোঁজ হতে শুরু করে ঠিক ২৭ বছরের তরুণরা। প্রথমে গুজব, তারপর আত’ঙ্ক। কিছুদিন পর শহরের খাল-বিল থেকে ভেসে ওঠে নিখোঁজ তরুণদের নি’থর দে’হ। কিন্তু সবচেয়ে ভ’য়ংক’র সত্যটা তখনই সামনে আসে যখন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যায়—মৃ’ত তরুণদের শরীরে হৃ’ৎয’ন্ত্র নেই। কেন শুধু ২৭ বছর বয়সি তরুণ? কেন হৃ’ৎয’ন্ত্রই লক্ষ্য? এটা কি নিছক খু’ন, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো ভ’য়ংক’র পরিকল্পনা? শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আ’ত’ঙ্ক আর অবিশ্বাস। মানুষ সন্দেহ করতে শুরু করে মানুষকেই। নিশ্চয়ই সে মানুষ নামক ন’রখা’দক। এলিজা শুধু একটি অ’পরাধের গল্প নয়—এ এক অন্ধকার সময়ের দলিল, যেখানে প্রশ্নের চেয়ে উত্তর বেশি ভ’য়ংক’র। যার প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে থ্রি’ল—রয়েছে অজানা ভ’য়ের এক শি’হরণ।