সকাল এগারোটা।
জিষ্ণু আর পরী বেরিয়ে গেছে অফিসে। কাক ডাকছে আলসেতে। হেমপ্রভা বারান্দাতে বসে আছেন চা খাওয়ার পর। এমন সময় ফোনটা বাজলো।
"হ্যালো।"
"কেমন আছো?"
ওপাশ থেকে হীরুবাবু বললেন।
"ভালোই। তবে আজ একাদশী তো! পায়ের বাতের ব্যথাটা বেড়েছে। তুমি কেমন আছো?"
"আর থাকা! চলে যাচ্ছে। রোজ সকালে আমার পায়ের পাতা দুটো আর ডান পা'টা গোল হয়ে ফুলছে।"
"ডাক্তার দেখাচ্ছো না কেন?"
"দেখাবো। হিতেন ডাক্তারকেই তো দেখাই। তবে ও আজকের আর কালকের দিনটা একটু ব্যস্ত থাকবে তো। অবশ্য গোদা কম্পাউণ্ডারকেও দেখিয়েছি। ওর ওখান থেকেই করছি ফোন। জাইলোরিক ট্যাবলেট দিয়েছে। ইউরিক এসিডের জন্যে। সারাজীবন খেতে হবে। সকাল বেলা একটি করে।"
"কম্পাউন্ডারের ওষুধ খাওয়ার কী দরকার। ডাক্তার ব্যস্ত থাকবে কেন?"
"বাঃ। কাল শনিবার নয়? ঘোড়দৌড়ের দিন! আজ তারই প্রস্তুতি।”
"সে কি! রেসুড়ে ডাক্তার জোটালে কোত্থেকে?"
"আরে ও রেস খেলে থোরী! ও যে ঘোড়ার ডাক্তার। শুক্র আর শনিবারে মাঠে ওকে যেতেই হয়।”
"তাই বলো! এতোদিনে ঠিক ডাক্তারই ধরেছো। তুমিও তো ঘোড়াই।”
কথাটা গায়ে না মেখে হীরু বললেন, "শ্রীমন্ত কোথায়? তুমি একলা হবে কখন?".....