Dhaka Bishbobidjaloyer Bishwa Dhorm O Shongskriti Bibhager Itihas 1999
ভাষা
বাংলা
ফরম্যাট
হার্ডকপি
ক্যাটাগরি
প্রবন্ধ
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' নামে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাংলাদেশের নয় উপমহাদেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার রয়েছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অভ্যুদয় ও অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদান। আর এই বিশ্ববিদ্যালয়েই স্বাধীনতা-উত্তর দেশের আলোকিত মানুষ ও অসাম্প্রদায়িক জাতিগঠনে ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কলা অনুষদ অর্ন্তভুক্ত বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ। জ্ঞানানুশীলনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২১ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০২১ সালে বছরব্যাপী আয়োজন করেছে নানাধরনের গবেষণা কার্যক্রম এবং বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র, ডিন কার্যালয়, বিভাগ, হল, ইনিস্টিটিউট হতে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশনা। বলা যেতে পারে, সেই কার্যক্রমগুলোর অংশ হিসেবে ১৯৯৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ইতিহাস লেখার প্রচেষ্টায় এই গ্রন্থ। কলাভবনের পঞ্চম তলায় ১৯৯৯ সালে মাত্র ৮ জন শিক্ষার্থী দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে অর্নাস, এম.এ. এম.ফিল. পিএইচ.ডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শতের অধিক। পরবর্তীকালে বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাকার্যক্রমসহ শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বছরব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এবং দেশের শিক্ষিত মহলে ও সাধারণ জনগণের মাঝে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়। বিশেষ করে বিভাগে প্রতিষ্ঠিত আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ কেন্দ্র, শিক্ষাবিষয়ক তিনটি ফাউন্ডেশন, ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারী ফাউন্ডেশন ফর পীচ অ্যান্ড সলিডারিটি, স্বামী স্বরূপানন্দ ফাউন্ডেশন ফর ইন্টাররিলিজিয়াস হারমনি, ফাউন্ডেশন ফর এ ডায়ালগ অ্যামোং দি পিপলস অব আব্রাহাম-এর অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত মানুষ তৈরীর নিয়মিত বিভিন্ন কার্যক্রম দেশের সুধীমহল ও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে অন্যতম আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে। এই গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ে বিভাগের বিগত ২২ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সযত্নে ও বিস্তরপরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে বিভাগে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সারণি এবং তৃতীয় অধ্যায়ে বিভাগের বিভিন্ন একাডেমিক ও অন্যান্য কার্যক্রমের তথ্য ও আলোকচিত্র সংযোজিত হয়েছে। বইটি বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের এবং অন্যান্য ইতিহাস অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেবে।