‘দেবী চৌধুরানী’ বইটির লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়; এটি একটি সমকালীন উপন্যাস। প্রকাশনার দায়িত্বে অনুভূতি প্রকাশনী। সব মিলিয়ে ১২৮ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Published, 2025।
"ও পি-ও পিপি-ও-প্রফুল্ল-ও পোড়ারমুখী।"
মা ডাকিল-মেয়ে কাছে আসিল। বলিল, "কেন মা?"
ও না।" মা বলিল, "যা না-ঘোষেদের বাড়ী থেকে একটা বেগুন চেয়ে নিয়ে আয়
প্রফুল্লমুখী বলিল, "আমি পারিব না। আমার চাইতে লজ্জা করে।"
তবে খাবি কি? আজ ঘরে যে কিছু নেই।
তা শুধু ভাত খাব। রোজ রোজ চেয়ে খাব কেন গা?
যেমন অদৃষ্ট করে এসেছিলি। কাঙ্গাল গরিবের চাইতে লজ্জা কি?
প্রফুল্ল কথা কহিল না। মা বলিল, "তুই তবে ভাত চড়াইয়া দে, আমি কিছু তরকারির চেষ্টায় যাই।"
প্রফুল্ল বলিল, "আমার মাথা খাও, আর চাইতে যাইও না। ঘরে চাল আছে, নুন আছে, গাছে কাঁচা লঙ্কা আছে-মেয়ে মানুষের তাই ঢের।"
অগত্যা প্রফুল্লের মাতা সম্মত হইল। ভাতের জল চড়াইয়াছিল, মা চাল ধুইতে গেল। চাল ধুইবার জন্য ধুচুনি হাতে করিয়া মাতা গালে হাত দিল। বলিল, "চাল কই?” প্রফুল্লকে দেখাইল, আধ মুটা চাউল আছে মাত্র-তাহা একজনেরও আধপেটা হইবে না।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।