“দ্বিচারিনী” বইয়ের প্রথম ফ্ল্যাপের কথা: একমাত্র সফলতা হল মাধ্যমিকে অঙ্কে ষাট হয়ে, কলকাতার বনেদিবাবু মধুসূদন দত্তের বাড়িতে সে আশ্রয় পেল সেই অঙ্কের জোরেই। কুলিগিরি থেকে শুরু হল তার নতুন জীবন। সে জীবন এতই সংক্ষিপ্ত যে তার সূর্যোদয় ঘটে তিলজলায়, সূর্যস্ত শিবপুরে। অন্যদিকে মধুরিমা এক দরিদ্র পুরোহিতের মেয়ে। পাড়ার ক্যারাটে ক্লাবে মধুরিমাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে ভাবী বউ হিসেবে নির্বাচন করেছে এম. টেক. পাশ যুবক সুজিত। এদিকে সুজিতের মতো চাঁদ হাতে পেয়েও মধুরিমার বুকে ঝড় উঠল না। বরং এক প্রেমহীনতার যন্ত্রণা তাকে অবশ করে দিল। এমনই এক মুহুর্তে তার সঙ্গে দেখা হল কুসুমকুমারের। এদের তিনজনের নানা টানাপড়েনে যারা ঢুকে পড়ে, তাদের একজন মধুসূদনের আপাতসুখী স্ত্রী কিন্তু গভীর বঞ্চনার শিকার নন্দরানী আর একটি পনেরো ভরির সীতাহার। শেষ পর্যন্ত মধুরিমা কাকে জীবনে গ্রহণ করবে সুজিত নাকি কুসুমকুমার?