চার মিলিয়ন পাউন্ডের মাদক খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এলো একটি মৃতদেহ - জেসিকা কলিন্স নামের সাত বছর বয়সী এক ছোট্ট মেয়ের কঙ্কাল। ২৬ বছর আগে ‘নিখোঁজ’ সংবাদে পত্রিকার হেডলাইন হয়েছিল সে। এরিকা ফস্টার জড়িয়ে গেলেন রহস্য উদ্ধারে। দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে গভীর পানির অন্ধকারে ঘুমিয়ে থাকা মৃতদেহ ও ঘটনাটিকে আবার নতুন করে শুরু করলেন এরিকা। টুকরো টুকরো প্রমাণাদি জোড়া দিয়ে রহস্যের জট খুলতে চাইলেও, অনেকেই চায় না ‘জেসিকা কলিন্স’ মৃত্যু রহস্যের কোনো কূল কিনারা হোক। কে চায় না? কারা চায় না? কেন চায় না? অপরাধী কি লুকিয়ে আছে পরিবারের ভেতরেই? আত্মীয়দের মধ্যেই কি কেউ আছেন, যে বা যারা চায় না সমাধান হোক ২৬ বছরের অসমাপ্ত রহস্যের? প্রতিবেশী কেউ? কী এমন গোপনীয়তা লুকিয়ে আছে কলিন্স পরিবারে? কেন অকালে প্রাণ হারাতে হলো ফুটফুটে শিশুটির? ডিটেকটিভ চীফ ইনস্পেকটর এরিকা ফস্টার ভাঙতে চান ধোঁয়াশার দেয়াল, কিন্তু কেউ কেউ খুব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ - কিছুতেই তাকে সত্য উদঘাটন করতে দেয়া যাবে না।