‘চিকিৎসা-বিজ্ঞান এবং স্থাপত্যশৈলীতে মুসলিম’ বইটির লেখক সাজিদ হাসান; এটি একটি শিশু-কিশোর বই। বইটি প্রকাশ করেছে আতফাল। এর কলেবর ৪৮ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st editon, 2025।
‘পড়ো তোমার প্রভুর নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।’
(সূরা আলাক : ১)
আল্লাহর এই আদেশ মেনে একসময় মুসলিমরা ছিল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি। শিক্ষাদীক্ষা আর জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিমরা ছিল অদ্বিতীয়। সভ্যতার পরতে পরতে ছিল তাদের অনস্বীকার্য অবদান। মুসলিম বিজ্ঞানীরা প্রতিষ্ঠা করে বিশ্বের প্রথম জেনারেল হাসপাতাল। সবার জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা, মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা-সহ অসংখ্য অবদান বিশ্বসভ্যতায় মুসলিমরা রেখেছেন। ইবনু সিনা, সার্জারিতে যাহরাভি-সহ অগণিত বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার আজও পৃথিবী জুড়ে ব্যবহৃত হয়। শুধু চিকিৎসাই নয়, নগর বিজ্ঞানেও মুসলিমরা ছিলেন বিশ্বসেরা।
গম্বুজ, মিনার কিংবা ঘরবাড়ি—মুসলিম বিজ্ঞানীদের নান্দনিক ছোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে সবখানে।
কিন্তু আজ মুসলিমরা দিশেহারা, বিভ্রান্ত। তারা ভুলে গেছে নিজেদের সোনালি সুদিন, গৌরবময় ইতিহাস। আর তাই নতুন প্রজন্মকে সেই সমৃদ্ধ অতীত চেনাতে আমাদের আয়োজন ‘মুসলিম বিজ্ঞানীদের পৃথিবী-জয়ী আবিষ্কার’। সিরিজটি অনুপ্রাণিত সেলিম আল-হাসসানির সাড়া জাগানো গ্রন্থ ‘1001 Inventions’ থেকে। মুসলিম উম্মতের হারানো গৌরবের ইতিহাস অনুসন্ধানের দ্বিতীয় পর্ব ‘চিকিৎসা-বিজ্ঞান এবং নগর-বিজ্ঞান মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান’। আশা করা যায়, ভুলে যাওয়া সে গৌরবের গল্প নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে
শিশু-কিশোর পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।