ভাষাকে সংক্ষিপ্তকরণ, ভাবের ইশারামূলক প্রকাশ এবং বক্তব্যের রসমধুর উপস্থাপন - এই তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাসাহিত্যে বাগধারা একটি বিশেষ ঐশ্বর্য হিসেবে বিবেচিত। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষার মতো বাংলাতেও রয়েছে অজস্র বাগধারা। বাগধারা যেহেতু ভাষা ব্যবহারের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সামর্থ্য ও নৈপুণ্য থেকে উৎসারিত, তাই যে জাতির ভাষা যতো প্রাচীন, সে জাতির ভাষায় এটির ব্যবহার ততো বেশি। হাজার বছরের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মননগত অভিব্যক্তি প্রকাশের জন্যে তাই সৃষ্টি হয়েছে অগণন বাগধারা। অমিত ভাণ্ডার থেকে বাছাইকৃত ও প্রচলিত দু’শতাধিক বাগধারাকে ছড়ার মাধ্যমে প্রকাশের একটি প্রয়াস মাত্র।