ফ্ল্যাপে লিখা কথা ‘ছট’ হতে যদি ছড়া হয়ে, তবে ‘ফট’ থেকে ফড়া, ‘ধট’ হতে ধরা, ‘কট্’ হতে কড়া, ‘মট্’ হতে মড়া হতে দোষ কী? দোষ না হলেও পণ্ডিতজনেরা ফোঁস তো করবেন তা নিশ্চিত। তাতে কিঞ্চিৎ বিস্মিত হব। আমি কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা ছড়িয়েই যাব। কেননা ছড়া তো ছড়িয়েই থাকে এবং ছড়িয়ে যাবেও। তা হলে ছড়াকার ছড়াবে না কেন? ছিটাবে না কেন? ছড়া নেয় মেলা কথা। অনেকের গা ঠাণ্ডা, গরম মাথা। ছড়াকারের বিশাল স্বাধীনতা। মনে লাফায় সজীবতা। অনেকের যা তা। অনেকে রাগে দাগায় খাতা। অনেকে আকার শিক ছাড়াই রাখে ছাতা।দেখেন তো কত রকমের কথা। আর বলি না যথা-ছড়া ঠাণ্ডা না ততা? ‘ছড়া হবে সাবলীল জচমকে দেয়া অন্ত্যমিল টইটম্বুর হাওড় বিল দশ দরজা একটা খিল একটা আকাশ বিশটা চিল শান্ত দিঘি ছোট্র ঢিল!’ ছড়া চমচম ছড়া ঝমঝম পড়ে যদি এমন প্রতীতিম মনের গহনে তিরতির, বুদবুদ উৎপাদন করে বা চমচমের মতো মজারু বা চমারু লাগে বা বিষ্টির মতো ঝমঝম আওয়াজ পাওয়া যায় তবেই লেখা সার্থক। নতুবা। ‘ব্যর্থক’।