“কর্তাবাবু, একটা কথা ছিল। ” “কী কথা? ” “বলছিলাম কী, এই লম্বা লোকেরা মানুষ কেমন হয়? ” “এ আবার কেমন ধারা কথা, লম্বা লোকেরা আবার আলাদা করে ভাল বা খারাপ হতে যাবে কেন ? ” “একটা ধাঁধায় পড়েই জানতে চাইছি আর কী! ” “তা লম্বা লোক নিয়ে তোর সমস্যা হচ্ছে কেন? এই তো আমিই তো একজন লম্বা লোক। আমার তিন ছেলে লম্বা, পুরুতমশাই ব্রজ ভট্ট্চাজ লম্বা, সাত্যকি বাঁড়ুজ্যে লম্বা, দারোগা পরেশ ঘোষ লম্বা, নব মিত্তির লম্বা, তা আমরা কি খারাপ লোক? ” বটু ওরফে বটকেষ্ট গম্ভীর মুখে মাথা নেড়ে বলল, “আপনারা তার কাছে নস্যি। আপনাদের মাথা তার কোমরের কাছ বরাবর হবে বড়জোর। তার বেশি নয়। ” “বটে! তা এ তল্লাটে তেমন লম্বা কে আছে? হরিপুরে বৃন্দাবন পাল অবশ্য বেজায় লম্বা, আর নবগঞ্জের বিষ্ণু পাঠকও বটে বিশাল ঢ্যাঙা...! ” “আজ্ঞে, তাঁরাও তার বুক পর্যন্ত হবেন কি না সন্দেহ। ” “অ, কিন্তু লম্বা লোক তুই পেলি কোথায়? আর তাকে নিয়ে তোর সমস্যাই বা হচ্ছে কেন ? ” বটু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “সে কাছেপিঠেই আছে।