চিরায়ত গল্প হিসেবে ‘বনফুলের শ্রেষ্ঠ গল্প’ লিখেছেন বনফুল। প্রকাশক সালাউদ্দিন বইঘর। সব মিলিয়ে ৭২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
বনফুল বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক । তাঁর প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। পেশায় তিনি ছিলেন একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক । কিন্তু জীবনের একটা বড় অংশ তিনি কাটিয়েছেন সাহিত্যচর্চা করে। বনফুল ছদ্মনামেই তিনি লেখালেখি করেছেন। তাই তাঁর আসল নাম ছদ্মনামের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে।
বনফুলের জন্ম ১৮৯৯ সালের জুলাই (বাংলা ৪ শ্রাবণ, ৩০৬) বিহারের পূর্ণিয়া জেলার সাহেবগঞ্জের নিকটবর্তী মণিহারী গ্রামে। তাঁর পিতার নাম সত্যচরণ মুখোপাধ্যায়। মাতার নাম মৃণালিনী দেবী। বনফুলের পিতা ছিলেন ডাক্তার । চিকিৎসার সূত্রে তাঁদের বাড়িতে অনেক লোকজনের আসা যাওয়া ছিল । চারিত্রিক উদারতার জন্যে সত্যচরণ তাদের আপন করে নিতেন। এ কারণে জমিদার থেকে সাধারণ মানুষ— সকলেরই ভালোবাসা পেয়েছিলেন সত্যচরণ।
বনফুলের চরিত্র গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে তাঁর পিতার চরিত্রের এই দিকটি বিশেষ কার্যকরী হয়েছিল । গুণীজনের সন্ধান পেলে সত্যচরণ নিজের বাড়িতে অতি যত্নে তাঁদের আশ্রয় দিতেন । সেই সূত্রেই তারাপদ পণ্ডিত তাঁর গৃহে আশ্রয় পান। তারাপদ পণ্ডিতের কাছেই বনফুলের হাতেখড়ি হয় । তারাপদ পণ্ডিতের স্নেহময় স্বভাব, সরলতা, সত্যবাদিতার কথা বনফুল পরবর্তী জীবনেও স্মরণ করেছেন ।
বনফুলরা ছিলেন ছয় ভাই ও দুই বোন- বলাইচাঁদ, ভোলানাথ, গৌরমোহন, নির্মলকুমার, অরবিন্দ, বিমলা ও উমা। বনফুলের যখন দেড় বছর বয়স, তখন তাঁর ভাই ভোলানাথ মাতৃগর্ভে আসে। এ কারণে বনফুল মাতৃস্তন্য থেকে বঞ্চিত হন।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।