ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা টুকনের মামার নাম মাসুদ। তিনি নিজেকে ভাবেন মাসুদ রানা। এই গোয়েন্দা মামা লোক খারাপ নন, কিন্তু তার মাথায় বুদ্ধশুদ্ধি তেমন নেই বললেই চলে। বেকারত্ব ঘোঁচাতে তিনি শুরু করেন গোয়েন্দাগিরি। জীবনের প্রথম অভিযানে তিন রওনা দেন কক্সবাজারের পথে।সঙ্গে চলল ভাগ্নে টুকন। মামা-ভাগ্নে যেখানে আপদ নেই সেখানে। কক্সবাজারে প্রথমেই মামার সঙ্গে দেখা হলো সায়মার। সায়মা আসেলে একজন মনোরোগিনী, যার রোগটা হলো সবাইকে সন্দেহ করা। সায়মা সবাইকে সন্দেহ করে অপরাধী বলে। তারই ভুল নির্দেশনায় উত্তেজিত হয়ে মামা অসুরণ করতে লাগলেন একেকজন নিরীহ মানুষ। ঘটতে লাগল একটার পর একটা হাসির কাণ্ড। কিন্তু এরই মধ্যে পাওয়া গেল ভয়স্কর এক চোরাকারবারীকে। কী হলো তারপর?