রবীন্দ্রনাথের পরে বাংলা সাহিত্যের চেহারা যাঁরা বদলে দিয়েছিলেন, বুদ্ধদেব বসু তাঁদের সামনের সারিতে। অথচ তাঁকে নিয়ে লেখা বেশিরভাগ বই কোনো একটি রচনা বা একটি দিকের মূল্যায়নে সীমাবদ্ধ; পুরো লেখককে একসঙ্গে ধরার চেষ্টা খুব কমই হয়েছে। রাজীব সরকারের ‘বহুমাত্রিক বুদ্ধদেব বসু: বৈচিত্র্যে বৈশিষ্ট্যে’ সেই ফাঁক পূরণের একটি আন্তরিক প্রয়াস।
বইটিতে বুদ্ধদেব বসুর বিপুল সৃষ্টিসম্ভার থেকে দশটি উজ্জ্বল দিক বেছে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লেখকের যুক্তি, রাজনৈতিক বা সাহিত্যবহির্ভূত বিবেচনায় এতদিন তাঁর যে খণ্ডিত মূল্যায়ন হয়েছে, তার বাইরে গিয়ে সামগ্রিক সাহিত্যিক সত্তাকে চেনা জরুরি। সাহিত্য সমালোচনা বিষয়ক এই প্রবন্ধগ্রন্থ সেই কাজটিই করেছে গোছানো ও পাঠযোগ্য ভঙ্গিতে।
১৩৬ পৃষ্ঠার হার্ডকভার বইটি বুদ্ধদেব বসুর পাঠক, বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থী ও গবেষক এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আগ্রহী যে কারও কাজের সঙ্গী হতে পারে। বাংলাদেশে বুদ্ধদেব-চর্চায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।