সেদিন গিয়েছিলাম হাসপাতালের হিমঘরে শীতল, নিস্তব্ধ, হালকা আলোতে আচ্ছন্ন ঘরে, অদৃশ্য ভয় তাড়া করে, সমস্ত শরীরে কাঁপন ধরে অদ্ভুত এক গন্ধ এসে নাকের মধ্যে ভর করে। হিমঘরের শেষ লাশটাকে কেউ দেখতে আসেনি! তার মানে লাশটার কেউ নাই, বেওয়ারিশ লাশ। এখন কেটে কেটে ভালো অর্গান রেখে দেয়া হবে! শেষ লাশটার আগে যে লাশ এসেছিল, সেই লাশের মৃত্যুর কারণটা অজানা। একজন তেরো বছরের কিশোরীর লাশ! রিপোর্টে লেখাÑ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু। হঠাৎ বাহির থেকে এক বৃদ্ধার কান্নার শব্দ, জানতে গিয়ে শুনলাম ওই কিশোরীর মা তিনি। তার মেয়ের মৃত্যু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হয়েছে; কিন্তু সেই রক্তক্ষরণের কারণ ছিল ধর্ষণ।