‘বিভূতিভূষণ সমগ্র (সতীর্থ ভিন্টেজ ভার্সন ২)’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর লেখা চিরায়ত উপন্যাস। বইটি প্রকাশ করেছে সতীর্থ প্রকাশনা। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে পেপারব্যাক বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2025 নিয়ে।
আদর্শ হিন্দু হোটেল
আদর্শ হিন্দু হোটেল
‘বাঙালি’ এর সংজ্ঞায়নে ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ বাক্যটি বহুল প্রচলিত। অর্থাৎ বাঙালি যে রসনাবিলাসি এ কথাটি অনস্বীকার্য এবং অবধারিত। এর বিপরীতে ব্যাখ্যা করলে বাঙালি যে অঞ্চলভেদে রন্ধনপটিয়সী সে বিষয়টিরও নীরব সাক্ষ্য প্রদান করে। এই রন্ধনশিল্পের উন্মেষ ঘটেছে মূলত গ্রামীণ তৃণমূল ঠাকুরদের হাত ধরে। তেমনই এক রন্ধন ঠাকুর হাজারি দেবশর্মা; যিনি একাধারে কপর্দকশূন্য, সমাজে অবহেলিত। অথচ হৃদয়ে লালন করেন এমন একটি হোটেলের স্বপ্ন, যেখানে তিনি মানুষের আত্মতৃপ্তির মাঝেই খুঁজে পেতে চান তাঁর শিল্পের আত্মতুষ্টি।
আদর্শ হিন্দু হোটেল উপন্যাসটি সময়কে অতিক্রম করে জীবনের সার্বজনীন সত্যকে ধারণ করে। এখানে সাধারণ জীবনযাত্রার মধ্য দিয়ে মানবিকতা, সংগ্রাম, আত্মমর্যাদা ও স্বপ্নের রূপরেখা অঙ্কিত হয়েছে। যেখানে নেই কোনো নায়কোচিত নাটকীয়তা, আছে শুধুই সত্য ও সংগ্রামের মহিমা। তাই হাজারি ঠাকুরের সাথে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞাপন হিসেবে দু’টি কথা বলাই যায়-
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এঁর স্বহস্তে রচিত।
প্রেরণাদ্যোতক, আগ্রহোদ্দীপক, হৃদয়গ্রাহী এবং সুখপাঠ্য সাহিত্যের অনন্য পদ।
কল্পিত চিত্রে চিত্রিত ও সুলভ মূল্যে সহজলভ্য।
যতীন, চঞ্চল জগতের এক নিঃসঙ্গ গ্রহবাসী। দেহজ কারাবাস থেকে সহসা আত্মার মুক্তিতে তার সামনে উম্নোচিত হয় আরেক জগত।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।