‘বিশ্বের অজানা অধ্যায়’ — কানিজ মুরাদ, পল সাসম্যান ও ইভন রিডলি-এর কলমে ঐতিহাসিক উপন্যাস। নবপ্রকাশ-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৯৬৫ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Published, 2026 নিয়ে।
১৮৫৭ সাল নানা কারণে আমাদের উপমহাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। এর এক শ বছর আগে, ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতা হারানোর মধ্য দিয়ে সমগ্র ভারতবর্ষে শুরু হয়েছিল যে ইংরেজ শাসন, ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ ছিল সেই শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম সামগ্রিক সামরিক বিদ্রোহ।
কিন্তু ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ সফল হয়নি। স্বাধীনতার সুতীব্র বাসনা নিয়ে যে লড়াকু সৈনিকেরা সেদিন ইংরেজদের কামান আর বন্দুকের সামনে নিজেদের বুক পেতে দিয়েছিল, তাদের রক্তের ওপর গড়ে ওঠেছিল আরও এক শ বছরের ব্রিটিশ শাসন। বেগম হজরত মহল। যতটা দরকার ছিল, ইতিহাস তাঁকে ততখানি স্মরণ কখনোই করেনি। জন্মেছিলেন সাধারণ এক তাঁতীর ঘরে। শৈশব আর কৈশোরের দিনগুলো কেটেছে লখনৌর চকবাজারে, অভিজাত বাঈজি মহলে। সেখান থেকেই নজরে পড়েন লখনৌর তৎকালীন মহারাজা ওয়াজিদ আলী শাহর। কিশোরী হজরত মহলের কাব্যপ্রতিভা এবং সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি তাঁকে নিজের চতুর্থ বেগম হিসেবে হেরেমে স্থান দেন।
সিপাহি বিদ্রোহের পর সবচে দীর্ঘ লড়াই লড়েছিলেন যে নারী, তিনি হজরত মহল। বিদ্রোহের এক বছরের মধ্যে লখনৌ হাতছাড়া হয়ে গেলে তিনি তাঁর অনুগত সিপাহিদের নিয়ে পালিয়ে যান উত্তর ভারতে। সেখান থেকেই লখনৌ পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু ধীরে ধীরে ইংরেজ বাহিনী কব্জা করতে থাকে উত্তর ভারতের সকল দুর্গ। তিনি আরও উত্তরে চলে যেতে থাকেন।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।