‘বিশ্ববিখ্যাত সুফিদের তত্ত্বরহস্য’ বইটির লেখক মোস্তাক আহ্মাদ; এটি একটি আধ্যাত্মিকতা ও সুফিবাদ বিষয়ক বই। জিনিয়াস পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৪০০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2015 নিয়ে।
পরম জ্ঞানের হাকিকত ও স্বরূপ প্রত্যক্ষকারী বিশ্বপ্রসিদ্ধ সফিদের তত্ত্বরহস্য জানার ভেতর দিয়েই নিজের পরিচয় জানলেই মহাপ্রভুর পরিচয় ঘটে। পরম প্রভুর সত্তা বর্ণনার উর্ধ্বের বিষয়। এই অবাচ্যকে যিনি অধিকার করেন, তিনিই সুফি, তত্ত্বজ্ঞানী, আধ্যাত্মিক ও রূহানী প্রাজ্ঞপুরুষ। আশেক মনের গুপ্তভেদ শত শত বছর ধরে সুফিতত্ত্ব ও মরমী চিন্তার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আসছে। পরবর্তীতে নানা সময়ে অনেক সুফির আবির্ভাব হয়েছিল সমগ্র বিশ্বজুড়ে, তাঁদের মধ্যে মনসুর হাল্লাজই একমাত্র মহান প্রাজ্ঞব্যক্তি যিনি পরম প্রেমের আলিঙ্গনে নিজের অস্তিত্ব লীন করে পরম সত্তার সাক্ষ্য দিয়েছিলেন স্বীয় অস্তিত্বের মাঝে। এ সাক্ষ্য ছিল একত্বের, অদ্বৈতের। শরিয়ত ভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হতে হয়েছিল তাঁকে। হুসাইন বিন মনসুর আল-হাল্লাজের “আনা আল-হক্ক’ ঘোষণায় চরম নির্যাতন নেমে এসেছিল। হাল্লাজ হয়ে উঠেছেন মরমী প্রেমের শহীদ। তিনি প্রমাণ করেছেন, তাঁর রক্ত পরমপ্রেমের জীবন্ত সাক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। পরমের ইচ্ছাই ছিল তাঁর ইচ্ছা। পরম চায় মিলন। আর এ মিলনের পূর্বশর্ত হল মৃত্যুদন্ড। জগদ্বাসীর কাছে তা ছিল আত্মবিসর্জন আর মনসুর হাল্লাজ ও পরম সত্তার কাছে তা ছিল মহামিলন। সৃষ্টিতে প্রভুর অস্তিত্বের বাইরে কিছু নেই। আমিই স্রষ্টার পরিচয়। আমার ভেতর দিয়েই তার কর্তৃত্ব, ক্ষমতা, প্রজ্ঞা বিজ্ঞানময় শিল্প নিদর্শন- আমার স্বীকৃতিই তার স্বীকৃতি।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।