দেবতোষ দাশ রচিত ‘বিন্দুবিসর্গ’ — থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার গল্প। বইটি প্রকাশ করেছে ভূমিপ্রকাশ। এর কলেবর ৩৫২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2020।
কেন কার্ল মার্ক্স বিষ্ণুকে পুঁজিপতি বললেন? ‘বিষ্ণু,দ্য ক্যাপিটালিস্ট’ বলে কেন বর্ণনা করলেন তাঁর ডাস ক্যাপিটাল-এ। পুঁজির সঙ্গে শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী ভগবান বিষ্ণুর কী সম্পর্ক? দক্ষই বা কে? দক্ষযজ্ঞের গল্পের পেছনে মানব সমাজের কোন ইতিহাস লুকিয়ে আছে? রামায়ণ-মহাভারত স্রেফ কেবল মাইথোলজি নয়,ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন ইতিহাস লুকিয়ে আছে এই দুই মহাকাব্যের ভেতর। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ত্রিশ বছর গবেষণা করে এক বাঙালি গবেষক কোডেড রামায়ণ-মহাভারতকে ডিকোড করতে সমর্থ হয়েছেন। আবিষ্কার করেছেন ইতিহাসের সত্য। জাতপাত নামক ভয়ানক অভিশাপ কেন ছেয়ে আছে ভারতীয় সমাজে,জানা যায় সেই গোপন সত্য। কে প্রকৃত রাম আর কে কৃষ্ণ,জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর পাণ্ডুলিপি যেন এক ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি। এই পাণ্ডুলিপি প্রকাশিত হলে ওলটপালট হয়ে যাবে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন ইতিহাস। এমনকী তুমুল প্রভাব পড়তে পারে ভারতের বর্তমান রাজনীতিতেও। কিন্তু তা চায় না উগ্র-জাতীয়তাবাদী এক সিক্রেট সোসাইটি। রামায়ণ-মহাভারত ডি-কোডেড হয়ে ভারতীয় সমাজ ও ইতিহাসের প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হলে,অস্তিত্ব বিপন্ন হবে তাদেরও। ফলত,তারা পাণ্ডুলিপি ও গবেষক,দুই-ই নিকেশ করতে চায়। এই অপারেশনে তারা পাঠায় এক ভয়ানক খুনিকে। এদের হাত থেকে বাঁচতে গবেষক তাঁর পাণ্ডুলিপি নিয়ে পালাতে থাকেন। শুরু হয় ভয়ঙ্কর চেজিং। গবেষক কি বাঁচবেন? প্রকাশ পাবে কি নতুন রামায়ণ ও মহাভারত?
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।