লেখক আসিফুর রহমান (আসিফ)-এর ‘বিজ্ঞানের বহু গতিপথ’ পাঠকের সামনে এসেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বই হিসেবে। আলোঘর প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ১৬০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2017।
“বিজ্ঞানের বহু গতিপথ” বইটির ভূমিকা থেকে নেয়াঃ ২০০৬ সালে নাসা মহাকাশযানটিকে পাঠায়। দ্রুততম গতি নিয়েই ছুটেছে এটি বামনগ্রহ প্লুটোর পথে। অবশ্য মিশন শুরুর সময় প্লুটো গ্রহই ছিল। ২০১৫ এর ১৪ জুলাই এটি পুটোর সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছায়। তখনি ছবি তুলেছে মহাকাশযানটি। এ ছবিগুলাে হাবল টেলিস্কোপের চেয়ে হাজারাে গুণ পরিষ্কার। নিজ কক্ষপথে সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে গ্রহটির ১৪৮ বছর সময় লাগে। এখন পর্যন্ত জানামতে প্লুটোর ৫টি উপগ্রহ রয়েছে। শুধু দুটোই নয়,এর পাঁচটি উপগ্রহকেও পাশ কাটিয়েছে নিউ হরাইজন। উপগ্রহগুলাে হলাে- স্টিক্স,শ্যারন,নিক্স,হাইড্রা ও কেরবেয়ােস। সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে দূরে থাকায় দুটোর আবহাওয়া হিম শীতল। অ্যান্টার্কটিকায় সবচেয়ে কম তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়েছিল মাইনাস ৮৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পুটোর ভূ-ত্বকের উপরিভাগের তাপমাত্রা মাইনাস ২৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০০৬ সালে সেই মহাকাশযান যাত্রা শুরু করেছিল এবং প্লটোর কাছাকাছি পৌঁছতে সময় ব্যয় হয়েছে প্রায় এক যুগের মতাে (৩ হাজার ৪৬৩ দিন)। হরাইজন মিশন এই পথে যাওয়ার সময় একের পর এক ছবি তুলে গেছে বামনগ্রহটির। নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন,পৃথিবী থেকে মঙ্গল যতটা দূরে,প্লটো তার চেয়েও ৪০ গুণ বেশি দূরে। জেট বিমানে গেলে এই গ্রহে গিয়ে পৌঁছতে লাগত ৭০০ বছর। প্লুটোর দিকে নিউ হরাইজন ছুটেছে সেকেন্ডে ৬৪ কিলােমিটার গতিতে আর ঘণ্টায় ৩৬ হাজার মাইল বেগে। এটাই সর্বোচ্চগতির মহাকাশযান।
জানার আগ্রহ আছে এমন পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকায় এখনই সংগ্রহ করুন।