মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক বই হিসেবে ‘বিগ-ব্যাং থেকে ব্লাক হোল’ লিখেছেন মশিউর রহমান। সৃজনী-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। এর কলেবর ১১২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Edition, 2016।
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা১৯৭৯ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত এসেছেন যে,মহাবিস্ফোরণের ১ সেকেন্ড পরের ঘটনাগুলোর ওপর পরবর্তী কালের সব কিছু নির্ভর করে। ১৯৮০ সালে মার্কিন পদার্থবিদ অ্যালান গুথ প্রস্তাব করেন যে,মহাবিস্ফোরণটি ঘটার পরে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ একটা মহাস্ফীতির সৃষ্টি হয়। মহাবিস্ফোরণের পরে এই মহাস্ফীটি ঘটতে ও শেষ হতে যতটা সময় লাগে তা হলো এক সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ। তখন মহাবিশ্বের তাপমাত্রা ছিল ১০০০ কোটি ডিগ্রিরিও বেশি। এই স্ফীতির কারণে মহাবিশ্বের আয়তন একটা প্রোটনের মাপের চেয়েও ছোট থেকে শুরু হয়ে ১ সেন্টিমিটার চওড়া হয়। তার পর থেকে মহাবিস্ফোরণের বর্ণনা অনুযায়ী তা বেড়েই চলেছে। ‘স্ফীতিশীল মহাবিশ্ব’র তত্ত্বটা মহাবিস্ফোরণের কিছু কিছু সমস্যার সমাধান করেছে কিন্তু এখনো তত্ত্বটিকে আরো গ্রহণযোগ্য করার জন্য জ্যোতির্বিদরা তাঁদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত জানার আগ্রহ আছে এমন পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।